Connect with us

মতামত

বিশ্বায়ন বাস্তবতা || আমাদের প্রজন্ম বনাম ফেসবুক || রায়হান আহমেদ

Published

on

বিশ্বায়ন বাস্তবতা || আমাদের প্রজন্ম বনাম ফেসবুক || রায়হান আহমেদ

বিশ্বায়ন বাস্তবতা || আমাদের প্রজন্ম বনাম ফেসবুক || রায়হান আহমেদ

ইদানীং ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে অতিমাত্রায় ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক।বিশ্বজনীন সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম ফেসবুকের জনপ্রিয়তা সারাবিশ্বে বর্তমানে তুঙ্গে।বিশ্বের সব প্রান্তের আধুনিক মানসিকতার নাগরিক ফেসবুকের সদস্য। সচেতন এমন কোনো ব্যক্তি নেই, যার নিজস্ব কোনো ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নেই।এটা অসম্ভব ব্যাপার যা মোটেও চিন্তা করা যায় না।ফেসবুকের মাধ্যমে বাবা-মা, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন,বন্ধু-বান্ধব,সহকর্মী, শুভাকাক্ষী সবাই অংশগ্রহণ করতে পারে।একে অপরের সঙ্গে মনের ভাব সহজেই বিনিময় করতে পারে।বন্ধুত্ব আর সহমর্মিতার হাত বাড়িয়ে দেশ-বিদেশে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একে অপরকে আপন করে পাওয়ার অনন্য দৃষ্টান্ত ফেসবুক।বর্তমান মানুষ আজ অবস্থান করছে তথ্য প্রযুক্তির বর্ণিল ভুবনে। ইন্টারনেটের কল্যাণে নিমিষেই সামনে রাখা কম্পিউটারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে কী বোর্ডের কয়েকটি মাত্র অর চাপ দিয়ে। একটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বিশ্বে যতজন মানুষ প্রতিদিন ইন্টারনেটে প্রবেশ করেন তার অর্ধেকেরও বেশি মানুষ যুক্ত থাকেন ফেসবুকের মাধ্যমে। এর মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানসহ নিজেদের প্রতিষ্ঠানের তথ্য ব্যক্তি গত প্রচার-প্রসারের কাজেও ফেসবুক ব্যবহৃত হয়। ফেসবুক মালিকানাধীন বিনামূল্যে বার্তা আদান-প্রদানকারী সাইটটি হলো হোয়াটঅ্যাপ। এখানে প্রাত্যহিক ব্যবহারকারীদের সংখ্যা প্রায় ৭০ কোটি। আরো আছে ছবি আদান-প্রদানকারী সাইট ইনস্ট্রাগ্রাম। এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ২০ কোটি। ইউএসএতে প্রতি পাঁচ নিমিটের মধ্যে অন্তত দুই-এক মিনিট ইউজারার সময় কাটান ফেসবুকে।কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, সবচেয়ে বহনযোগ্য ট্যাবলেট দিয়ে টাচ স্কিনের ব্যবহার সহজ হয়ে উঠেছে।

 

বর্তমানে ফেসবুকের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার সবাইকে ভাবিয়ে তুলেছে। ডেপুটি স্পিকার অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ করেছেন, ১৬ বছরের নিচের সন্তানদের হাতে মোবাইল ফোন না দেওয়ার জন্য। আজকাল দেখা যাচ্ছে অধিকাংশ ছেলেমেয়ে সারাণ কানের মধ্যে হেডফোন ঢুকিয়ে ব্যস্ত থাকে। এখন এটা একটা ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। মোবাইল ফোনের উপকার ও অপকার নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। দামি দামি মোবাইল সেটগুলো হারোনোর ভয় তাদের মনে উঁকি মারছে। মোবাইল ফোন ঠিকমতো আছে কি না এজন্য মনকে সর্বদা সতর্ক রাখতে হয়। মনোবিজ্ঞানীদের মতে, এই অসুখের নাম নোমোফোবিয়া বর্তমানে ইউকেতে প্রায় ৫৩ শতাংশ এবং ভারতে প্রায় ২৯ শতাংশ এই রোগের শিকার। ৮-১০ বছর আগে এই রোগের কোনো অস্তিত্ব ছিল না।মোবাইল ফোন ব্যবহারে কমে যাচ্ছে চোখের দৃষ্টি বৈকল্য,মায়েপিয়া বা ক্ষীণদৃষ্টি হতে পারে-এমন আশঙ্কা করেছেন। সংবাদপত্র, বই বা কোনকিছু পড়ার ক্ষেত্রে সাধারণত চোখ থেকে ৪০ সে.মি. দূরত্ব থাকে। কিন্তু স্মার্টফোন ব্যবহারে চোখ ৩০ সে.মি. আবার কেউ কেউ ১৮ সে.মি দূরে রেখে তা ব্যবহার করেন। নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, সীমাহীন ফেসবুক ফিড নিয়ে ব্যস্ত থাকার ফলে মস্তিষ্কে সে অনুভূতি হয়, কোকেন ঠিক একই ধরনের প্রভাব সৃষ্টি করে। ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষক প্রফেসর অফটির টুরেল বলেন, যারা ফেসবুকে না প্রবেশ করে থাকতে পারেন না তাদের মস্তিষ্কের ম্যাটার অংশে ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া চলতে থাকে। কোকেন নিলে মস্তিষ্কের ঠিক একই অংশে একই ধরনের কর্মকা-চলে।এই নেশা গাড়ির এক্সেলেরা টোরের মতো কাজ করে, অর্থাৎ গতি বাড়তেই থাকে।আর এ থেকে মুক্তির চেষ্টা অনেকটা ব্রেকের মতো।নেশার ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের আবেগের অংশে মাঝে মাঝে যোগ দেয় অসংঘটিত দমনমূলক নীতি।শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের তালিকা দেওয়া হয়।সেখানে তারা লিখেছেন ফেসবুকের প্রতি আসক্তির কথা।

 

সাইকোলজিক্যাল রিপোর্টসে দেখা গেছে, ডিসঅ্যাবিলিটি অ্যান্ড ট্রমা’জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণাপত্রে বলা হয়, তাদের বিভিন্ন ছবি দেখানো হয়।বলা হয়,তাদের পছন্দের ছবি প্রদর্শনমাত্র একটি বাটনে চাপ দিতে বলা হয়।দেখা গেছে,ফেসবুকের ছবি দেখামাত্র কয়েকজন ওই বাটনে চাপ দিয়েছেন। এরা আগে থেকেই ফেসবুকে আসক্ত। গবেষকরা দেখেছেন, মস্তিষ্কের অ্যামিগডালা অংশকে উত্তেজিত করে অংশগ্রহণকারী, ফেসবুকে ছবি দেখে এত দ্রুত ক্রিয়াশীল হয়েছেন-যা রাস্তায় চলাচলের সময় নির্দেশক চিহ্ন দেখেও হন না। কাজেই বিষয়টি এক অর্থে ভয়ঙ্কর। কারণ রাস্তায় চলাচলের সময় নির্দেশক চিহ্ন না দেখে মোবাইলে ফেসবুকের নোটিফিকেশন দেখতে থাকলে তা দুর্ঘটনা বয়ে আনতে পারে। লাইভ সায়েন্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ফেসবুকে আসক্তরা যেন মাদকাসক্ত।ফেসবুকে অবস্থানের সময় এমনভাবেই কাজ করেন তারা।তবে ভালো সংবাদটি হলো,এ ধরনের আচরণ চিকিৎসার মাধ্যমে দূর করা সম্ভব।ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ এবং উদ্দীপনা সৃষ্টির মাধ্যমে ফেসবুকে আসক্তি তাড়ানো সম্ভব।ফেসবুকের মতো টুইটার ব্যবহারকারী রাও এই ধরনের আসক্তিতে ভোগেন। অনেকের মতে, এটা তামাক বা অ্যালকোহলের নেশার মতো কাজ করে। (সূত্র: টেলিগ্রাফ)।

ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ঘুমের অভাবে অনলাইনে ব্রাউজ করার ইচ্ছা জাগে মনে। বিশেষ করে ফেসবুকের মতো সোস্যাল মিডিয়ায় প্রবেশের প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। গবেষকরা ঘুমের পরিমাণের সঙ্গে ইন্টারনেট ব্যবহারের সম্পর্ক দেখতে চেয়েছেন।এখানে ইন্টারনেট ব্যবহার ঘুমের ওপর কী প্রভাব ফেলে তা দেখা হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৬ শিক্ষার্থীর ওপর টানা এক সপ্তাহের গবেষণা পরিচালনা করেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার দিয়ে অংশগ্রহণকারীদের কম্পিউটার ও স্মার্টফোনের ওপর নজরদারি করা হয়। দেখা হয়, তারা ফোনে কতণ কথা বলেন বা টেক্সটা পাঠান এবং কম্পিউটারের বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করেন।

 

পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন সকালে তাদের ঘুম নিয়ে রিপোর্ট দিতেন। আবার গোটা দিন শেষে তারা একটি জরিপে অংশ নিতেন। গোটা সপ্তাহে শিক্ষার্থীদের মানসিক অবস্থা বিশ্লেষণ করেন তারা। একটি বিশেষ ইন্টারভিউয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তারা। গবেষণায় ঘুমের ঋণ বিষয়কেও প্রাধান্য দেওয়া হয়। অর্থাৎ কতটুকু ঘুম হয়েছে এবং কতটুকু দরকার ছিল। বাকিটুকু ঘুমের ঋণ বলে বিবেচিত হয়।শিক্ষার্থীদের বয়স, লিঙ্গ এবং লেখাপড়ার চাপ ইত্যাদি বিবেচনা করে সংগ্রহীত তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। দেখা যায়, ঘুমের অভাবের সঙ্গে মেজাজ খারাপ, উৎপাদনশীলতা হ্রাস এবং ফেসবুকে ঢুঁ মারার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। প্রধান গবেষক গ্লোরিয়া মার্ক বলেন, যখনই আপনি কম ঘুমাচ্ছেন তখনই সব তির মুখে যাচ্ছে। আর যখন মানসিকতার চরম খারাপ অবস্থা, তখনই ফেসবুকে চলে যাচ্ছেন আপনি। এর আগেও বহু গবেষনায় প্রযুক্তির সঙ্গে স্বাস্থ্যকর ঘুমের বিষয়টি উঠে এসেছে। জার্নাল অব চাইল্ড নিউরোলজিতে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে বলা হয়, বাতি নেভানোর পর যে টিনএজাররা স্মার্টফোন ব্যবহার করেন তাদের ঘুম কম হয়। প্রযুক্তি যন্ত্রের ব্লু লাইট মস্তিষ্ক উত্তেজিত করে। এটি দেহে মেলাটনিন হরমোন রণে বাধা প্রদান করে। এই হরমোন ঘুমের ভাব আনে। এতে ঘুমের অভ্যাস এবং গুণগতমানের পরিবর্তন ঘটে।গবেষকরা জানান, মোবাইল ফোন থেকে হাই ফিকোয়েন্সির ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক রেডিয়েশন নির্গত হয়।এই তিকর তরঙ্গের সঙ্গে মস্তিকের ক্যানসারের যোগসূত্র থাকার সম্ভবানা রয়েছে।ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষক প্রফেসর অফটির টুরেল বলেন, যারা ফেসবুকে প্রবেশ করে থাকতে পারেন না, তাদের মস্তিষ্কের ম্যাটার অংশে ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া চলতে থাকে।কোকেন নিলে মস্তিষ্কের ঠিক একই অংশে একই ধরনের কর্মকান্ড চলে। নেশার ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের আবেগের অংশে মাঝে মাঝে যোগ দেয় অসংগঠিত দমনমূলক নীতি।শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের তালিকা দেয়া হয়।সেখানে তারা লিখেছেন ফেসবুকের প্রতি আসক্তির কথা।

 

এছাড়া শরীরের অন্য কোষগুলো তির মুখে পরতে পারে।রাত জেগে চ্যাটিং করা,নগ্ন ছবি বা ভিডিও দেখার ফলে চারিত্রিক বা নৈতিক অবয় হচ্ছে।ধর্মীয় অনুশাসন বা নৈতিক শিার সুফল ব্যাহত হচ্ছে।কোনো কোনো শিক্ষার্থী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে, পিতা-মাতা বা অভিভাবকদের সামনে মোবাইল ফোন বা ফেসবুক ব্যবহার করতে না পেরে মধ্যরাতে চুপিসারে তা ব্যবহার করছে।গভীর রাত্রে কি স্বাভাবিক আলাপ-আলোচনা হয়? ফেসবুকে কিছুটা ইতিবাচক দিকও রয়েছে। ইত্যাদিতে’ প্রচারিত সিরাজগঞ্জে ২৯ বছর বয়সী মামুন বিশ্বাস ফেসবুকে পোস্টের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়ে অসহায় রোগী, প্রতিবন্ধীদের সহায়তা এবং অভাবগ্রস্ত মেয়েদের বিবাহের ব্যবস্থা করায় প্রশংসিত হয়েছেন। এ ছাড়াও অনেকে বিভিন্ন অভিযোগ সমস্যার প্রতিকার,রক্ত চাই, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম,কাস না হলে তার ছবি, রাস্তার সংস্কারের কাজে বা প্রশাসনিক বিষয়ে গঠনমূলক সমালোচনা করছেন।এর মাধ্যমে গাফিলতি,জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা কিছুটা হলেও ফিরে আসছে।সরকারও চাচ্ছে সমাজ গতিশীল হোক।আলোচনা ও সমালোচনার মাধ্যমেই সর্বদা সঠিক সিদ্ধান্ত বেরিয়ে আসে। এটাই হোক সবার প্রত্যাশা।

রায়হান আহমেদ কলামনিস্ট

রায়হান আহমেদ
কলামনিস্ট

রায়হান আহমেদ
কলামিস্ট

Facebook

(ভিডিও)
অন্যান্য1 month ago

আলোচনায় ‘রস’ (ভিডিও)

মাসুমা রহমান নাবিলা (Masuma Rahman Nabila)। ছবি : সংগৃহীত
ঘটনা রটনা5 months ago

‘আয়নাবাজি’র নায়িকা মাসুমা রহমান নাবিলার বিয়ে ২৬ এপ্রিল

‘মিথ্যে’-র একটি দৃশ্যে সৌমন বোস ও পায়েল দেব (Souman Bose and Payel Deb in Mithye)
অন্যান্য5 months ago

বৃষ্টির রাতে বয়ফ্রেন্ড মানেই রোম্যান্টিক?

Bonny Sengupta and Ritwika Sen (ঋত্বিকা ও বনি। ছবি: ইউটিউব থেকে)
টলিউড5 months ago

বনি-ঋত্বিকার নতুন ছবির গান একদিনেই দু’লক্ষ

লাভ গেম-এর পর ঝড় তুলেছে ডলির মাইন্ড গেম (ভিডিও)
অন্যান্য5 months ago

লাভ গেম-এর পর ঝড় তুলেছে ডলির মাইন্ড গেম (ভিডিও)

ভিডিও6 months ago

সেলফির কুফল নিয়ে একটি দেখার মতো ভারতীয় শর্টফিল্ম (ভিডিও)

ঘটনা রটনা7 months ago

ইউটিউবে ঝড় তুলেছে যে ডেন্স (ভিডিও)

ওমর সানি এবং তিথির কণ্ঠে মাহফুজ ইমরানের ‌'কথার কথা' (প্রমো)
সঙ্গীত8 months ago

ওমর সানি এবং তিথির কণ্ঠে মাহফুজ ইমরানের ‌’কথার কথা’ (প্রমো)

সালমা কিবরিয়া ও শাদমান কিবরিয়া
সঙ্গীত8 months ago

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গান গাইলেন সালমা কিবরিয়া ও শাদমান কিবরিয়া

মাহিমা চৌধুরী (Mahima Chaudhry)। ছবি : ইন্টারনেট
ফিচার9 months ago

এই বলিউড নায়িকা কেন হারিয়ে গেলেন?

সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : তাহমিনা সানি
নির্বাহী সম্পাদক : এ বাকের
প্রকাশক : রামশংকর দেবনাথ
বিভাস প্রকাশনা কর্তৃক ৬৮-৬৯ প্যারীদাস রোড, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০ থেকে প্রকাশিত।
ফোন : +88 01687 064507
ই-মেইল : rupalialo24x7@gmail.com
© ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | রূপালীআলো.কম