Connect with us

গল্প

পারমিতা || শুভ্র নীলাঞ্জনা-এর গল্প

Published

on

পারমিতা || শুভ্র নীলাঞ্জনা-এর গল্প

পারমিতার মন ভালো নেই। আজ সে ফেইসবুকে যায়নি। কিছুই ভালো লাগছে না। অফিসেও যাওয়া হয়নি।ফোনে জানিয়ে দিয়েছে। জ্বর আসছে । গা টা ম্যাজ ম্যাজ করছে। কেমন একটা অশ্বস্তি।কয়েক দিন ধরেই পারমিতার মন খারাপ সিদ্ধান্ত নিতে হিমসিম খাচ্চে। তার মন পরে থাকে আকাশের দিকে।আকাশের সীমানা থেকে বেরিয়ে আসতে পারছেনা । অদৃশ্য এক আকর্ষণ। এড়িয়ে যেতে পারছেনা সর্বশক্তি দিয়ে । আবার একটা মায়াও নিজের অজান্তে জন্ম নিয়েছে ।দো টানায় পড়ে পারমিতার বেহাল অবস্তা ।

পারমিতা খুব ভেবেচিন্তে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট কনফার্ম করে । আননোন অথবা অবয়ব নেই কখনই তার ফ্রেন্ড লিস্টে জায়গা নেই। ২২১ জন ফ্রেন্ড দের ভিতর একজনই অবয়বহীন । যার ইনবক্স এ পাঠানো বার্তায় মুগ্ধ হয়ে বন্ধু করে নিয়েছিল। সেই আননোন ব্যক্তি টাই পারমিতার রাতের ঘুম উধাও করে দিয়েছে। প্রথম প্রথম পারমিতা গা করে নি। কোন ইন্টারেস্টও ছিল না। অনেকেই লিখে। আবার একসময়য় আপনা আপনি বন্ধ হয়ে যায়। সাড়া না পেয়ে। কিন্তু বিপত্তিটা এই খানেই । অসীম ধৈর্য সহকারে রুটিন করে ইনবক্স ভর্তি করে লিখে যাচ্ছে। পারমিতা একদিন সময় করে পড়ল। না খারাপ কিছু লিখে নি তো। অনেকগুলি কবিতা , কোনসময় নিজের মনের কথা, গানের অংশ বিশেষ , কোন কোন সময় ইমো । মাঝে মাঝে পড়তে পড়তে পারমিতার মন ভালো হয়ে যায়। অদৃশ্য একটা কাঁটা খচ খচ করে বুকের ভিতর লাগে। না পারমিতা আর দ্বিতীয় বার কাঊকে প্রশ্রয় দিবে না। কারো মিষ্টি মিষ্টি কথায় ভুলবে না। নো রিপ্লাই ।

কিন্তু না একমাস দুই মাস তিন মাস একদিনের জন্য ও লিখা বন্ধ হয়নি। অদ্ভুত ব্যাপার। পারমিতার ফোন নাম্বার ও চায় নি। অথবা সে কেন রিপ্লাই দেয় না কোন অভিযোগ ও নেই। ছেলেটা মনে হয় ধরেই নিয়েছে এইটাও তার প্রাত্যাহিক রুটিনের ভিতর একটা কাজ। পারমিতার একদিন ইনফো তে যেয়ে ভালো করে দেখে । ছেলেটা কে ? কোথায় থাকে? সব কিছু জানতে ইচ্ছে করছে।

অরণ্য আকাশ । কমপ্লিকেটেড রিলেশনশিপ । নো পিক । কভার পিক এ পাশাপাশি পিছন ফিরে একটি ছেলে একটি মেয়ে বসে আছে সূর্যাস্তের সময়। নিজের লিখা কিছু কবিতা, মনীষীদের বাণী ছাড়া বিশেষ কিছু জানা যায় না। পারমিতা আকাশের দিকে হাত বাড়ালো আকাশ ছুঁতে। পারমিতার জীবনটা হটাৎ করেই রঙ্গিন হয়ে উঠল । ঝাঁক ঝাঁক রঙ্গিন প্রজাপতিরা পারমিতার চার পাশে ডানা ঝাপটায়। মেঘলা আকাশে এক ফালি রোদ্দুর। হাজার হাজার মাইল মাইল দূরে মেলবোর্নে থাকে একটা ছেলে, কিন্তু কিভাবে যেন অদৃশ্য সুতার বন্ধনে দুজন আবদ্ধ। ইনবক্স এ ম্যাসেজ না লিখলে পারমিতার আর ভালো লাগে না। আকাশের কোন ম্যাসেজ না থাকলে পারমিতার চোখ ছলছল করে উঠে অভিমানে।

পারমিতাঃ তোমাকে আর লিখবনা । সত্যি সত্যি তিন সত্যি । আমি তোমাকে এখন রিপ্লাই দেই তাই তুমি আর আগের মত ভালোবাসনা। আমি সব বুঝতে পারি । আর একজন পারমিতা পেয়ে গেছ তুমি।

আকাশঃ আকাশের হাসি। রাগলে তোমায় লাগে আরও ভালো। তোমার অভিমানি মুখটা আমি বেশ দেখতে পাচ্ছি। ভালবাসা আমাকে নিঃস্ব করেছে ,তোমাকে করেছে অভিমানি। আই লাভ ইট।

এভাবেই রাত গড়িয়ে অনেকসময় ভোর হয়ে যায় পারমিতার। এ এক মজার খেলা। কোন দায়বদ্ধতা নেই শুধু অনুভব করা।হৃদয় দিয়ে হৃদয় ছুঁয়া।কথার মায়াজালে আঁটকে থাকা।

পারমিতার মাঝেমাঝে কৌশিকের কথা মনে পড়ে।কৌশিক একটু অন্য ধরনের সুন্দর ছিল। মায়াবী মুখের আদল। বয়সে ছোট হলেও খুবই গম্ভির আর চুপচাপ ধরনের ছেলে। বয়সের চেয়ে বেশীই ম্যাচইউরড। পারমিতাকে ও সবসময়ই ছোট ভাবত। অদৃশ্য একটা শাসন ছিল কৌশিকের ভিতর। যা পারমিতা এড়িয়ে যেতে পারত না। পারমিতা সবসময় বলত চশমা তোর জন্যই সৃষ্টি হয়েছে । তোকে খু-উ-বি মানায়। কি পাগল টাই না ছিল পারমিতার জন্য। পারমিতার গুনে গুনে চার বছরের ছোট। কৌশিকের পাগলামি পারমিতার খুব একটা খারাপ লাগতনা। মনে হত এটাই ঠিক। ভালবাসা এ রকমই হউয়া উচিৎ। নিয়ম মানে না। যত বেশী পাগলামি তত বেশী ভালবাসা। কৌশিকের বয়স টাই এই রকম মাতাল করা ভালোবাসা ওকেই মানায়।

কৌশিক টার অনেক সাহস। সবাইকে বুরু আঙ্গুল দেখিয়ে পারু বলে ডাকত। তখন পারমিতা অনেক রেগে যেত। পারমিতা ,এই শুন আমাকে পারু বলবিনা। কি আমার দেবদাস রে। দেবদাস কাপুরুষ ছিল ,আমি দেবদাস কে দেখতে পারি না। আসল কাজে খবর নাই ফেন্সিডিল খেয়ে চুড়। কৌশিক হাসতে হাসতে বলে ,তখন ফেন্সিডিল কোথায় পাবে। আমি এই যুগের দেবদাস । ফেন্সিডিল খেয়ে মরব না । ভালবেসে মরে যাব। তোমাকে নিয়ে মরব। সাত আকাশ খুঁজে তোমাকে নিয়ে আসব। তুমি বিয়ে করবে না, আমার জন্য ওয়েট করবে। আমি এসটাবিøস হয়ে তোমাকে নিয়ে যাব। পারমিতা কথা শুনে হেসে গড়িয়ে পড়ত। তুই একটা পাগল আস্ত পাগল।আমি তোর বড় না ? আমাকে বিয়ে করলে মানুষ তোকে পিটিয়ে তক্তা করবে। কৌশিক,আমি মানুষের খাই না পড়ি ? তুমি করবে কিনা সেটা বল? পারমিতাও একটু পাগলিই ছিল অন্য আরও দশ টা মেয়ের চেয়ে । পারমিতা বলে ঠিক আছে করব।

হিরণের সাথে একদিন পারমিতাকে এক রিক্সায় দেখে কৌশিকের সেকি অভিমান। কৌশিক বলে আমি ছাড়া তুমি কারো সাথে রিক্সায় উঠবে না প্লিজ আমি মরে যাব। পারমিতা কখনই কৌশিককে বুঝতে চেষ্টা করেনি সবটাই ভেবে নিয়েছে নিছক মজা। হিরণের সাথে যখন পারমিতার বিয়ে ঠিক হোলও তখন কৌশিক একটা চিঠি লিখে দেশের বাইরে চলে গেল। তারপর আর তারপর আর যোগাযোগ হয়নি কৌশিকের সাথে।

হিরণের সাথেও পারমিতার বিয়েটা হল না । পারমিতা কি অবচেতন মনে কৌশিক কেই ভালবেসেছিল? পারমিতা নিজেও জানেনা। তারপর আর পারমিতা বিয়ের চেষ্টা করেনি। দুর্ঘটনায় বাবার মৃত্যু সব কিছু উলট পালট করে দিয়েছে । ছোট ভাইয়ের পড়ালেখা মায়ের দেখাশুনা সবকিছুর দায়িত্ব নিতে গিয়ে বিয়েটা কে আর গুরুত্ব দেয়া হয়নি। হিরন বিয়ে করে এক কন্যার জনক । পারমিতার মাঝে মাঝে কৌশিকের কথা মনে পড়ে। মনটা খারাপ হয়ে যায়। চোখ টা শুধু শুধুই জলে ভরে উঠে। কৌশিক এখন কোথায়? কি করে? নিশ্চয় বিয়ে করে সংসারি হয়েছে। যেখানেই থাকুক ভালো থাকুক। পারমিতা কৌশিকের সম্পর্কে ইচ্ছে করেই কোনদিন কারো কাছে জানতে চায়নি। কিছু কিছু সম্পর্ক এমন হয় যেখানে চেনার দরকার হয় না। কোন চাওয়া থাকে না। কোন স্বার্থ খুঁজে না। তারপরেও অনেক মায়া হয়ে যায়। আর একবার কারো উপর মায়া পড়ে গেলে সে মায়া কমেনা বরং আরও বাড়তে থাকে। আকাশের প্রতি পারমিতার এমনি একটা মায়া পড়ে গেছে । টান। ভেতর থেকে সর্বনাশা টান ।

আকাশ নিজের কথা তেমন বলে না । এড়িয়ে যায়। পারমিতা মাঝে মাঝে চমকে যায় আকাশের কথা শুনে। পারমিতা জানতে চায় তুমি কি আমাকে চেন নাকি? সামনা সামনি কখনও দেখেছ ? আকাশের উত্তর, না অনুমানে বুঝে নেই,তুমি এই রকম । তোমার সাদা গোলাপ পছন্দ । কিভাবে বুঝলে ? মাঝে মাঝে তুমি সাদা গোলাপ পোস্ট কর তাই ? আমার আর কি পছন্দ ? বেলি ফুলের মালা। এইটা কি ভাবে বুঝলে ? আমি তো কখনও বলিনি। তোমার প্রায় ছবিতে হাতে বেলি ফুলের মালা পেঁচানো থাকে। তুমি এতকিছু দেখ ? হুম। পারমিতা ঃ ভাবছি তোমার সাথে আর কথা বলব না ।

আকাশ ঃ কেন?

পারমিতাঃ তুমি আমাকে সবসময় দেখতে পাও , আমি দেখতে পাই না। ইট ইজ নট ফেয়ার?

আকাসঃ কেন ? তোমার না ঋত্বিক রোশন অনেক পছন্দ।অর ছবিই তো দেওয়া আছে।

পারমিতাঃ তুমি কি ঋতিক নাকি? ঢং করবানা। কাল থেকে আমাকে আর পাবে না ।আচ্ছা তোমার বয়স কত?

আকাসঃ মজা করে ,তোমার কত লাগবে ?

পারমিতাঃ সত্যি বলনা ? জানতে ইচ্ছে করছে।

আকাশঃ চল্লিশ হলে অসুবিধা?

পারমিতাঃ আমার কোনটাই অসুবিধা নাই। তোমার সাথে আমার বিয়ে হবে নাকি?

আকাশঃ বিয়ে হলে কত লাগবে?

পারমিতাঃ ভেবে দেখি নাই।

আকাশঃ ত্রিশ হলে চলবে?

পারমিতাঃ না তুমি আমার চার বছরের ছোট হবে।

আকাশ ঃ অসুবিধা কি? বাদ দেও। আজ কি করলে?

পারমিতা ঃসারাদিন তোমার কথাই ভাবছি।

আকাশ ঃ এহেম ! এহেম ! সূর্য টা ঠিক ঠাক মত আজ উঠছে তো?

পারমিতা ঃ ভাব! কেন আমি বুঝি তোমার কথা ভাবি না।

আকাশ ঃ জি না মহারানী।

আকাশ ঃ জি না রাজপুত্র , সবসময় তুমি আমার সাথেই আছ।

পারমিতাঃ এই ওয়েট , মা ডাকছেন শুনে আসি।

এই ভাবেই প্রায় বছর হল আকাশের সাথে পারমিতার পরিচয়ের সুত্র ধরে দুজনই গল্পে গল্পে অনেকটাই কাছা কাছি । একটা নীল আকাশের একটাই রুপালী চাঁদ।

সময় গড়িয়ে যায় । সামনে পারমিতার জন্ম দিন । ১লা এপ্রিল।এখন আর জন্মদিন সেলিব্রেট করা হয় না। জন্মদিন সাদামাটা ভাবেই চলে যায়। আকাশ বলছে মেলবোর্নের বাইরে যাবে ৩/৪ দিন ঝামেলা থাকবে।ফিরে এসে যোগাযোগ করবে। তবু ও ইনবক্স টা চেক করে। ভাবনা গুলি ডানা মেলে। পারমিতার অভ্যাস গান শুনে শুনে ঘুমিয়ে পড়া। জয়তি চক্রবর্তী র রবীন্দ্র সঙ্গীত পারমিতার প্রিয়, সি,ডি টা অন করল।

যে জন দেয় না দেখা ,যায় যে দেখে, ভালবাসে আড়াল থেকে

.আমার মন মজেছে সেই গভিরের গোপন ভালবাসায়।

আমার সকল নিয়ে বসে সর্বনাশের আশায়।

আমি তার লাগি পথ চেয়ে আছি পথ যে জন ভাসায়।

পারমিতা গান শুনতে শুনতে গভীর ঘুমে তলিয়ে যায়। সাত সকালে মোবাইল টা বেজে উঠল। আননোন নাম্বার। ও পাশ থেকে শুভ শুভ শুভ জন্মদিন। পারমিতা হ্যালো কে বলছেন? গেইস কর কে হতে পারে? পারমিতা , আমি বুঝতে পারছিনা প্লিজ বলেন।

ওপাশ থেকে। আকাশ । উত্তেজনায় পারমিতার হাত থেকে মোবাইল টা পড়ে যায়। কাঁপা হাতে আবার মোবাইল উঠিয়ে নেয় পারমিতা ।ঐ পারে হাসির শব্দ । কেমন চমকে দিলাম। জন্মদিনের সারপ্রাইজ। পারমিতা বিস্ময়ে বিমূড়। কপট রাগে তুমি আমাকে বল নাই কেন? আসবে তুমি? আকাশ, তাহলে আর সার প্রাইজ হবে কি ভাবে? শুন বিকেল ৩ টায় ধানমি ২৭/ নন্দুস এ দেখা হবে।

পারমিতার গায়ের রং একটু চাঁপা। আকর্ষণীয় ফিগার। চোখ দুটি মনে হয় অতল জলের আহŸান। সবচেয় সুন্দর তার চুল। দীর্ঘ কেশ। যা এখন আর দেখা যায় না। যে কোন কেউ একবার দেখলে আরেকবার ঘুরে তাকাবে। পারমিতা নিজের সুন্দরয্যের কখনও পাত্তা দেয় না।

 

পারমিতার সাদা সাড়ি পছন্দ। নেটের সাড়ি। লম্বা হাতা বøাউজ। আজ পারমিতার প্রিয় জিনিসগুলো ইউস করবে। কানে ডায়মন্ডের ছোট দোল। হালকা মেক আপ। একহাতে ঘড়ি । অন্যহাতে ব্রেসলেট। প্রিয় পেরফিউম াবৎংধপষ. সংগ্রহের সবচেয়ে পছন্দের এঁপপরর ব্যাগ টা নিয়ে বের হল পারমিতা।

সারা রাস্তা আকাশ কুসুম কল্পনায় রাঙ্গিয়ে ভেসে ভেসে চলে এলো আকাশের সাথে দেখা করতে। অজানা ভাললাগায় সবকিছু যেন কেমন অস্তিরতায় ছেয়ে আছে। বিন্দু বিন্দু করে টেনশন ঝরে পরছে সারা গায়ে। ভাললাগার মানুষ টাকে এই প্রথম দেখবে। দেখতে কেমন হবে ? পারমিতা তো চিনে না। কিভাবে চিনবে? আকাশ বলছে সি গ্রিন শার্ট পরবে। আকাশই চিনে নিবে। তারপরও সারাটা পথ জুড়ে গভীর উৎকণ্ঠা । এক মিনিট মনে হচ্ছে এক যুগ পেরিয়ে যাচ্ছে। উফ সময় এত দীর্ঘ হয় কেন? টান টান উত্তেজনা পারমিতার ভেতর উপচে উপচে পরছে। কল্পনার সেই মাহেন্দ্রণ টির খুব কাছা কাছি। একটু পরেই দেখা হবে তার সব চেয়ে প্রিয় মানুষ টির সাথে। নন্দুসে ঢুকেই পারমিতা চলে গেল বাঁ দিকের রুম টার ভিতর। মোবাইল টা হাতে নিয়েছে পারমিতা ফোন করবে তখনি পিছন থেকে এক গুচ্ছ সাদা গোলাপ বাড়িয়ে দিয়ে কে যেন বলে উঠল “ শুভজন্মদিন পারু” । ঘুরে দাঁড়াতেই পারমিতা বিস্ময়ে নির্বাক। মাথাটা অল্প একটু ঘুরে গেল পারমিতার মনে হল পড়ে যাবে। এও কি সম্ভব? পারমিতার তারপরে আর মনে নেই। চোখ খুলার পর পারমিতা নিজেকে আবিস্কার করে কৌশিকের কাঁধে মাথা দিয়ে পরম নির্ভাবনায় শুয়ে আছে। কৌশিক স্বভাব সুলভ ভঙ্গিতে মিটমিট করে হাসছে । কেমন সারপারাইজ দিলাম মহারানী জন্মদিনে? গিফট ও বলতে পার। পারমিতা আদুরে গলায় আর একটু হলে আমি খুশীতে মরে যেতাম । তুমি আগের মতই আস্ত একটা পাগল ।

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Facebook

(ভিডিও)
অন্যান্য1 month ago

আলোচনায় ‘রস’ (ভিডিও)

মাসুমা রহমান নাবিলা (Masuma Rahman Nabila)। ছবি : সংগৃহীত
ঘটনা রটনা5 months ago

‘আয়নাবাজি’র নায়িকা মাসুমা রহমান নাবিলার বিয়ে ২৬ এপ্রিল

‘মিথ্যে’-র একটি দৃশ্যে সৌমন বোস ও পায়েল দেব (Souman Bose and Payel Deb in Mithye)
অন্যান্য5 months ago

বৃষ্টির রাতে বয়ফ্রেন্ড মানেই রোম্যান্টিক?

Bonny Sengupta and Ritwika Sen (ঋত্বিকা ও বনি। ছবি: ইউটিউব থেকে)
টলিউড5 months ago

বনি-ঋত্বিকার নতুন ছবির গান একদিনেই দু’লক্ষ

লাভ গেম-এর পর ঝড় তুলেছে ডলির মাইন্ড গেম (ভিডিও)
অন্যান্য5 months ago

লাভ গেম-এর পর ঝড় তুলেছে ডলির মাইন্ড গেম (ভিডিও)

ভিডিও6 months ago

সেলফির কুফল নিয়ে একটি দেখার মতো ভারতীয় শর্টফিল্ম (ভিডিও)

ঘটনা রটনা7 months ago

ইউটিউবে ঝড় তুলেছে যে ডেন্স (ভিডিও)

ওমর সানি এবং তিথির কণ্ঠে মাহফুজ ইমরানের ‌'কথার কথা' (প্রমো)
সঙ্গীত8 months ago

ওমর সানি এবং তিথির কণ্ঠে মাহফুজ ইমরানের ‌’কথার কথা’ (প্রমো)

সালমা কিবরিয়া ও শাদমান কিবরিয়া
সঙ্গীত8 months ago

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গান গাইলেন সালমা কিবরিয়া ও শাদমান কিবরিয়া

মাহিমা চৌধুরী (Mahima Chaudhry)। ছবি : ইন্টারনেট
ফিচার9 months ago

এই বলিউড নায়িকা কেন হারিয়ে গেলেন?

সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : তাহমিনা সানি
নির্বাহী সম্পাদক : এ বাকের
প্রকাশক : রামশংকর দেবনাথ
বিভাস প্রকাশনা কর্তৃক ৬৮-৬৯ প্যারীদাস রোড, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০ থেকে প্রকাশিত।
ফোন : +88 01687 064507
ই-মেইল : rupalialo24x7@gmail.com
© ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | রূপালীআলো.কম