Connect with us

গল্প

ক্যাকটাস | নিরমিন শিমেল

Published

on

ক্যাকটাস | নিরমিন শিমেল

ঝনঝন যান্ত্রিক শব্দে ট্রেনটা স্টেশনে এসে থেমে গেল। চাই ডাব,… চাই ডাব…., এই বা…দা…ম ভা…. জা, চা… লাগে…, গরম চা…। হকার, যাত্রী ও কুলিদের হাঁকাহাঁকি ডাকাডাকিতে প্ল্যাটফর্ম মুখরিত।
দূরে ভিড় ঠেলে একটা মেয়ে প্ল্যাটফর্ম ধরে এগিয়ে আসছে। পরনে আকাশনিল সালোয়ার কামিজ, কাঁধে নক্সাদার উলেন ব্যাগ। চোখে রোদ চশমা। বয়স উনিশ-কুড়ি হবে। মেয়েটির হাঁটার ভঙ্গিতে কি যেন একটা ছিল, সাবলিল অথচ দৃঢ়। দেহের ভাঁজে ভাঁজে ছন্দিত তরঙ্গ। যেন কোজাগরী পূর্ণিমায় সাগরের ফেননিভ ও নৃত্যরত উর্মিমুখর তরঙ্গ। মেয়েটা পেছন ফিরে হাত ইশারায় ওরই সমবয়সী আর একটা মেয়েকে বিদায় জানিয়ে চঞ্চল পায়ে ভিড়ের মাঝে মিশে গেল, আমার দৃষ্টির আড়ালে চলে গেল। কিছু কিছু দৃশ্য আছে- যা দৃষ্টির আড়ালে চলে গেলেও মনের মধ্যে তার রেশ রেখে যায় । আমি ভাবছিলাম। আমার ভাবনা সিগারেটের ধোঁয়ার সাথে কুন্ডলী পাকিয়ে পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে আমায় গ্রাস করছিল। এক সময় পাশের যাত্রীর কাছ থেকে আজকের দৈনিক পত্রিকাটা চেয়ে নিয়ে চোখের সামনে মেলে ধরলাম।

‘বাজেটে রাজস্ব বৃদ্ধির উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য’ সংবাদে ডুবে গেলাম।
ব্যাগটা একটু সরিয়ে রাখুন, প্লিজ।
কথাগুলো আমাকেই বলা হলো কি?
পত্রিকা থেকে চোখ তুললাম।

একরাশ সুবাসিত দোলনচাঁপা যেন দোল খেয়ে গেল। এ যে না চাইতেই জল! কী বলব, যাকে যে মুহূর্তে কল্পনা করা হয় ঠিক সেই মুহূর্তে সেখানে তারই স্বশরীরে উপ¯িথতি, কি যে আনন্দ তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। কিছুক্ষণ আগের দেখা সেই মেয়েটি সামনে দাঁড়িয়ে।আমি যেন বাকহারা হয়ে গেলাম। মেয়েটি কী বলতে চাইছে, কাকেই বা উদ্দেশ্য করে বলছে সে বোধশক্তি আমার হারিয়ে গেল।

চেতনায় প্রাণশক্তি ফিরে পেলাম যখন দেখি মেয়েটি আমার সিটের সামনে জানালার পাশের আসনে বসে পড়ল, একেবারে আমার মুখোমুখি। হয়তোবা এমনটিই আমি চাইছিলাম। হাত থেকে জ্বলন্ত আস্ত সিগারেটটা জানালা দিয়ে ফেলে দিলাম।

ট্রেন ধীরে ধীরে চলতে শুরু করল।
পত্রিকাটা আবার মেলে ধরলাম। কিন্তু আর মনযোগ দিতে পারছিলাম না। আড়চোখে বারকয়েক মেয়েটাকে দেখে নিলাম। উজ্জ্বল শ্যামবর্ণ, চিবুকের ডান পাশে একটা ছোট্ট তিল, কমলার কোয়ার মতো ঠোঁটে রক্তিমাভা, টানা ভ্রæযুগলের নিচে আয়ত চোখে মায়াবী মাদকতা, গলায় ওড়না এক প্যাঁচ করে জড়ানো, উন্নত বুক। ওর দৃষ্টি জানালার বাইরে সুদূর দিগন্তে প্রসারিত।

আমি উসখুস করছিলাম ওর সাথে কথা বলার জন্য। এত কাছাকাছি, এত সুযোগ,অথচ নির্বাক সময় কাটিয়ে দেয়া নিতান্ত বোকামী ছাড়া কিছু নয়। কিন্তু ঘটনার প্রারম্ভিক দৃশ্যে সূচনার অবতারণা অত্যন্ত দুরূহ ব্যাপার। ভাবছি শুরুটা কীভাবে করা যায়!

তোমার নাম কী ? কিংবা কোথায় যাওয়া হচেছ। আরম্ভটা এভাবে করা ঠিক হবে না। এতে প্রশ্ন জাগতে পারে। আপনার অত শুনে দরকার কী? মেয়েদের যে মুখ বাবা! অন্তত মুখে কিছু না বললেও মনে মনে প্রশ্নসূচক কারণটা এসে যেতে পারে।

আর প্রথমেই তুমি সম্বোধন একেবারেই অনুিচত, হিতে বিপরীত হতে পারে। তাহলে কীভাবে শুরু করা যায়?
পত্রিকাওয়ালা হেঁটে গেল সামনে দিয়ে। অনন্যা কিনলে কেমন হয়? মেয়েদের পত্রিকা। ফ্যাশন, রূপচর্চা, গৃহসজ্জায় মেয়েরা আকৃষ্ট হয় বেশি।

যেই ভাবা সেই কাজ। দুম করে একটা অনন্যা কিনে নিলাম। খানিকক্ষণ পাতা উল্টিয়ে ভাসা ভাসা চোখ বুলিয়ে কোলের কাছে রেখে বাইরে দৃষ্টি মেলে দিলাম। এ যেন শিকার ধরার পূর্ব মুহূর্তে টোপ ফেলে রাখা।
টোপটা এবার সত্যি সত্যি গিলে ফেলল।

পত্রিকাটা কি একটু দেখতে পারি?
অফকোর্স।

আমি পাকা শিকারির মতো টোপের সুতা ছাড়লাম। অনন্যা টেনে নিয়ে পাতায় ডুবে গেল মেয়েটি। দশ মিনিট, পনের মিনিট, কুড়ি মিনিট….. আহারে কী একনিষ্ঠ পাঠক!

তবে টোপ যখন গিলে ফেলেছে তখন সুতায় টান মারতে অসুবিধা কী? দ্বিধা ঝেড়ে ফেলে বললাম- আপনি নিশ্চয় স্টুডেন্ট?

জি।
পত্রিকার পাতা থেকে এবার চোখ তুলল মেয়েটি।
জিজ্ঞেস করলাম- কোথায় পড়ছেন?
ঢাকা ভার্সিটিতে অনার্সে।
বাড়ি কি ঢাকাতেই?
না, ঈশ্বরদী।

পরিচয় পর্বের প্রাথমিক পর্যায় এভাবেই শুরু। এরপর টুকটাক কথাবার্তা; যেমন বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা, বিশ্বকাপ ক্রিকেট, হরতালের বিড়ম্বনা, ক্রিকেটে কে কোন দলের সাপোর্টার ইত্যাদি ক্ছিুক্ষণ চালিয়ে গেলাম। এরই ফাঁকে নামটা জানা হয়ে গেল, মোনালিসা। সংক্ষেপে লিসা।

হু-হু করে ছুটে চলেছে ট্রেন। ট্রেনের দোলায়মান ছন্দিত শব্দতরঙ্গে একসময় ঘুমিয়ে পড়ে লিসা। এলোমেলো আর্দ্র বাতাসে তার চুলগুলো লুটোপুটি খাচ্ছে কপালে ও ঘাড়ে। ওড়নার একপ্রান্ত হাওয়ায় উড়ছে। খুব মৃদু অথচ ¯িœগ্ধ একটা সুবাস নাকে এসে লাগছে। আধবোঁজা চোখদ’ুটি যেন মাঝরাতের গোলাপকুঁড়ি, ভোরের ¯িœগ্ধ পরশে প্রষ্ফুটনের প্রতীক্ষায় আছে। জানালার ধার ঘেঁসে সিটের উপর মাথাটা সামান্য হেলানো। কী অপূর্ব সেই ভঙ্গিমা! গল্পের পাতালপুরীর ঘুমন্ত রাজকন্যার মতো। সোনার জীয়ন কাঠি ছোঁয়ালেই জেগে উঠবে।
পূবাকাশে ধূসর মেঘের ঘনঘটা। একসময় ঝামড়ে বৃষ্টি নামল। বৃষ্টির ছাঁট এসে ঝাপটা মারছে লিসার চুলে, গালে, চোখে। ও একটু কেঁপে উঠেই থেমে গেল, তবে ঘুম ভাঙল না। আমি জানালার কাচ নামিয়ে দেয়ার জন্য এগিয়ে গেলাম। জানালায় হাত দিয়েছি, এমন সময় ও জেগে উঠল। জড়ানো কণ্ঠে বলল।

এহে! বৃষ্টি নেমেছে দেখছি।
জানালার কাচ নামিয়ে আমি লিসার দিকে ঘুরে দাঁড়ালাম। এত কাছাকাছি দাঁড়িয়ে যে, ওর গা থেকে মিষ্টি একটা সুঘ্রাণ আমার নাকে এসে লাগছে। ফোঁটা ফোঁটা ¯িœগ্ধ জলবিন্দু লিসার অধীর চোখের পাতায়, চুলে। এ যেন সাগর পাড়ে দাঁড়িয়ে সিক্ত জলকন্যা। কী যে বলব, সাগরের উথালপাথাল ঢেউ আমার বুকে আছড়ে পড়ছে। মৃদুকন্ঠে বললাম- জল মুছে ফেলো।
আমার মুখ থেকে অজান্তেই তুমি বেরিয়ে এলো।
লিসা ব্যাগ থেকে ছোট্ট রুমাল বের করে জল মুছে নিচ্ছিল। রুমালটা ছোট্ট হওয়ায় ভালোভাবে মোছা হলো না।
আমার ব্যাগ থেকে তোয়ালে বের করে দ্বিধাগ্রস্তভাবে এগিয়ে দিলাম- মনে কিছু না নিলে ব্যবহার করতে পারো।
না না লাগবে না। ও এমনিতেই শুকিয়ে যাবে।

শুকিয়ে যাবে ঠিকই, তবে ঠান্ডা বাঁধিয়ে যাবে।

আমার বলার মধ্যে কিছু একটা ছিল।। মৃদু হেসে সসংকোচে লিসা হাত বাড়িয়ে তোয়ালেটা নিল।
বুফেকারে চায়ের অর্ডার দিয়ে এলাম। কামরায় যাত্রী সংখ্যা কম। পৌঢ়মতো এক ভদ্রলোক বারবার আমাদের লক্ষ্য করছিল। লোকটার দু’ভ্রæর মাঝে সূ² ভাঁজ আমার দৃষ্টি এড়ালো না।

মাঝারি একটা স্টেশনে ট্রেন থামল। লিসা চীনা বাদাম কিনে আমায় অফার করল। পুট পুট শব্দে দু’জনে বাদামের খোসা ছাড়াচ্ছি আর মুখে ফেলছি।

বললাম- তুমি কি হলেই থাকো?
জি।

মোবাইল নম্বর জানতে চাওয়া ঠিক হবে কি না বুঝতে পারছি না। কিন্তু দ্বিধা ঝেড়ে এক সময় বলেই ফেললাম-মোবাইল ন¤Ÿরটা কী জানতে পারি?
লিসা জবাব দিল না। মৃদু হেসে জানলার বাইরে তাকাল। আমি অস^¯িত বোধ করছিলাম।
কিন্তু খানিক পরেই সে ন¤Ÿরটা বলল।
এ মুহূর্তে আমার উচিত হবে নম্বরটা টুকে নেয়া। নোটবুক কাছে নেই। ধারে- কাছে কাগজ নেই। অনন্যায় যে লিখব, ওটা ওর সিটের পাশেই। পকেট হাতড়ালাম। ট্রেনের টিকেট বেরিয়ে এলো। তাৎক্ষণিকভাবে টিকিটের উল্টোপিঠে লিখে নিলাম ন¤Ÿরটা।
চা এসে গেল। সাথে পাউরুটির বোম্বে টোস্ট। লিসার দিকে এক কাপ এগিয়ে চায়ে চুমুক দিলাম। ঠান্ডা আর্দ্র আবহাওয়ায় গরম গরম চা শরীরে উষ্ণতার পরশ বুলিয়ে দিল। চলন্ত ট্রেনের জানালার দু’প্রান্তে বসে দু’জন সদ্য পরিচিত তরুণ-তরুনী, হাতে ধরা গরম চায়ের কাপ, মাঝে মাঝে টুকটাক কথাবার্তা। দৃশ্যটা মন্দ নয়।
বাইরে বৃষ্টি থেমে গেছে অনেকক্ষণ। ট্রেনের গতি কমছে। সামনে ঈশ্বরদী স্টেশন। লিসা ব্যস্তভাবে উঠে দাঁড়াল। ওর সাথে উলেন ব্যাগটা ছাড়া আর কোন লাগেজ নেই। ভারি কোনো লাগেজ থাকলে ক্ষণিকের জন্য তা বহন করার সুযোগ পেলে আমি ধন্য হতাম। যদিও লাগেজ টানা আমার কাছে অত্যন্ত বিরক্তিকর কাজ, আর ভাইবোনদের লাগেজ হলে তো আরও বিরক্তিকর ব্যাপার।
আলতো হাতে চুল ঠিক করে ওড়না গুছিয়ে লিসা নেমে যাওয়ার জন্য তৈরি। বুকের মাঝে কোথায় যেন চিনচিন করে উঠল। পত্রিকাটা ওর হাতে দিয়ে বললাম-এটা নিয়ে যাও।
থমকে তাকাল লিসা।
বললাম- এটার গুরুত্ব তোমার কাছেই বেশি।
এবার সে সরাসরি আমার চোখে চোখ রাখল। কিছু কী বলতে চাইল! তারপর হাত বাড়িয়ে পত্রিকাটা নিয়ে বলল- থ্যাংকস। আচ্ছা তাহলে চলি।
কথাটা বলেই এগিয়ে গেল। নেমে গেল ট্রেন থেকে। প্ল্যাটফর্মের ভিড়ের মাঝে লিসার আকাশনিল বর্ণাভা মিশে যাচেছ। আমি জানালা দিয়ে তাকিয়ে রইলাম। মরাল গ্রীবা বাঁকিয়ে একবার আমার দিকে ফিরে তাকিয়ে হাত নেড়ে বিদায় জানালো। প্ল্যাটফর্ম ধরে এগিয়ে যেতে যেতে ভিড়ের মাঝে এক সময় হারিয়ে গেল সে। আমি নিতান্ত অসহায়ভাবে ওর চলে যাওয়া দেখলাম।
ট্রেন চলতে শুরু করল।
বিচ্ছেদের একরাশ বিষাদময় নৈরাশ্য নিয়ে আমি কামরায় দৃষ্টি ফিরিয়ে নিলাম। আনন্দঘন মুহূর্তটুকু যতই দীর্ঘ হোক না কেন তা চিরকালই ছোট্ট একটা বৃত্তে সীমাবদ্ধ মনে হয়। যাত্রার বাকি পথটুকু আমার কাছে অনন্তকাল মনে হতে লাগল।
লিসা চলে গেছে ঠিকই, কিন্তু তার ফেলে যাওয়া অস্তিত্ব, কিছু টুকরো টুকরো স্মৃতি আমার চারপাশে অন্তর্জাল বিস্তার করছিল। ওর ফেলে দেয়া বাদামের খোসা, সিটের নিচে ওর নি:শেষিত চায়ের কাপ ঘোষণা করছে সে ছিল। এখনো চোখ বন্ধ করলে যেন ওকে দেখতে পাই। অনুভবে ওর শরীরের মিষ্টি ঘ্রাণ পাই, সামনের সিটে উপবিষ্ট ওকে উপলব্ধি করতে পারি অনায়াসে।কিন্তু চোখ খুললেই মনে হয় এ যে স্বপ্নের ফানুস।
বর্তমানে সামনের সিটে যে লোকটি বসে আছে সে সেই স্বপ্নের মরীচিকাকে মুছে ফেলে লিসার অস্তিত্বকে বিলীন করে দিয়ে আমার মাঝে বিচ্ছেদের ব্যঞ্জনা তুলছে। সে ব্যঞ্জনাটুকু ট্রেনের নিরবিচ্ছিন্ন একটানা শব্দের সাথে একাতœ হয়ে হতাশার মূর্ছনায় হৃদয়ে বারবার প্রতিধ্বনিত হয়ে ফিরছে।
হঠাৎ সিটের উপর লিসার সানগøাসটা আমার চোখে পড়ল। ওটা ভুলে ফেলে গেছে সে! কালবিলম্ব না করে আমি তুলে নিলাম। হৃদয়ে আনন্দের ঢেউ বয়ে গেল। যাক তাহলে সানগøাসটা দেয়ার অজুহাতে অন্তত তার সাথে আবার শিঘ্রী দেখা হবে।
রাজশাহী ষ্টেশনে ট্রেন থামলে নেমে পড়লাম। মৃদুমন্দ বাতাসে বিলি কেটে এগিয়ে যাচ্ছে রিকশা । বুক পকেটে লিসার সানগøাসটা তখনো সুখের পরশ বুলিয়ে দিচ্ছিল। এটার সুবাদে আজ রাতেই ফোন করা যেতে পারে। মাস্টার্স পাশের পর থেকে চাকরির চেষ্টা করে যাচ্ছি। সামনের মাসেই ইন্টারভিউয়ের জন্য আবার ঢাকায় যেতে হবে। তখন অন্তত …। মনের সংগোপনে লুকিয়ে থাকা সুখপাখিটা আনন্দে গেয়ে উঠল- ‘আবার হবে গো দেখা, এ দেখাই শেষ দেখা নয়তো…।
বাড়ির কাছে রিকশা থামলে ভাড়া মিটানোর জন্য পকেটে হাত দিতেই মনে হলো টিকিটটা নেই। প্ল্যাটফর্মের গেট দিয়ে বের হওয়ার সময় টিকিট কালেকটরের হাতে সেটি দিয়ে এসেছি। টিকিটে মোবাইল ন¤Ÿর লেখা ছিল। নম্বর মনে করার চেষ্টা করলাম। কিছুতেই মনে পড়ল না। লিসা অনার্সে পড়ে কিন্তু কোন ইয়ারে পড়ে তা বলেনি, সাবজেক্টও শোনা হয় নি। এসব জানা থাকলেও একটা গতি করা যেত। কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমছিল। না পাওয়ার ব্যথার চেয়ে পেয়ে হারানোর ব্যথাটা বড় বেশি তীব্র।
বুক পকেটের সানগøাসটা কষ্টের ক্যাকটাস কাঁটা হয়ে তখনও লিসার অস্তিত্বকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছিল।

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Facebook

(ভিডিও)
অন্যান্য1 week ago

আলোচনায় ‘রস’ (ভিডিও)

মাসুমা রহমান নাবিলা (Masuma Rahman Nabila)। ছবি : সংগৃহীত
ঘটনা রটনা4 months ago

‘আয়নাবাজি’র নায়িকা মাসুমা রহমান নাবিলার বিয়ে ২৬ এপ্রিল

‘মিথ্যে’-র একটি দৃশ্যে সৌমন বোস ও পায়েল দেব (Souman Bose and Payel Deb in Mithye)
অন্যান্য4 months ago

বৃষ্টির রাতে বয়ফ্রেন্ড মানেই রোম্যান্টিক?

Bonny Sengupta and Ritwika Sen (ঋত্বিকা ও বনি। ছবি: ইউটিউব থেকে)
টলিউড4 months ago

বনি-ঋত্বিকার নতুন ছবির গান একদিনেই দু’লক্ষ

লাভ গেম-এর পর ঝড় তুলেছে ডলির মাইন্ড গেম (ভিডিও)
অন্যান্য4 months ago

লাভ গেম-এর পর ঝড় তুলেছে ডলির মাইন্ড গেম (ভিডিও)

ভিডিও6 months ago

সেলফির কুফল নিয়ে একটি দেখার মতো ভারতীয় শর্টফিল্ম (ভিডিও)

ঘটনা রটনা6 months ago

ইউটিউবে ঝড় তুলেছে যে ডেন্স (ভিডিও)

ওমর সানি এবং তিথির কণ্ঠে মাহফুজ ইমরানের ‌'কথার কথা' (প্রমো)
সঙ্গীত7 months ago

ওমর সানি এবং তিথির কণ্ঠে মাহফুজ ইমরানের ‌’কথার কথা’ (প্রমো)

সালমা কিবরিয়া ও শাদমান কিবরিয়া
সঙ্গীত7 months ago

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গান গাইলেন সালমা কিবরিয়া ও শাদমান কিবরিয়া

মাহিমা চৌধুরী (Mahima Chaudhry)। ছবি : ইন্টারনেট
ফিচার8 months ago

এই বলিউড নায়িকা কেন হারিয়ে গেলেন?

সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : তাহমিনা সানি
প্রকাশক : রামশংকর দেবনাথ
বিভাস প্রকাশনা কর্তৃক ৬৮-৬৯ প্যারীদাস রোড, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০ থেকে প্রকাশিত।
ফোন : +88 01687 064507
ই-মেইল : rupalialo24x7@gmail.com
© ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | রূপালীআলো.কম