Connect with us

গল্প

বিবাহ | শারমিন ইসলাম সাথী

Published

on

বিবাহ | শারমিন ইসলাম সাথী
বিবাহ | শারমিন ইসলাম সাথী

আমার বয়স সাতাশ। সেকালের মেয়েদের চৌদ্দ-পনের বছর বয়সে বিয়ে হত। শুনেছি আমার নানীর বিয়ে হয়েছিল চৌদ্দ বছরে বয়সে। আর আমার মায়ের সতের বছরে। আমি এখনও অবিবাহিত । সেশন জটের কারনে মাষ্টার্স পাস করে বেরিয়েছি সাড়ে চব্বিশ বছর বয়সে। মাষ্টার্স পাশের আগে বিয়ে করব না বলে এক প্রকার পণ করেছিলাম। এখনকার যুগে মাষ্টার্স পড়া অবস্থায় অথবা পাস করে বিয়ে করাটা স্বাভাবিকই বলা চলে। কিন্তু, আমার পাশ করার পর আড়াই বছর কেটে গেছে। আড়াই বছরে পাত্র তো কম দেখা হল না। বাবা-মার চিন্তার অন্ত নেই। এদিকে ছোট মেয়েকে তার পছন্দের ছেলের সাথে বিয়ে দিয়েছে দু’বছর হল। তাদের ঘরে একটি কন্যা সন্তানও এসেছে ইতিমধ্যে।

সমপ্রতি আমার একটা বিয়ের কথা চলছে। আমার ফুপাতো বোন, নাম মুক্তা সেই আপাই আমার এই বিয়ের ঘটক। আপন মামাতো বোনের এত বয়স হল বিয়ে হচ্ছে না, বিয়ে দেয়া দরকার এই তাগিদ থেকে নাকি আমাকে একটা বিয়ে দিতে পারলে একটা বড় পুর্ণ করা হবে সেই অভিপ্রায়ে ঘটকালি করছে ঠিক বুঝতে পারছিনা। কারনটা যাই হোক, সে যে আমাকে নিয়ে ভাবে, সেটাই বড় কথা।

একদিন মুক্তা আপু আমাকে ফোন করে বলল, শীলা, তোমাকে কাল সকালে আমার বাসায় আসতে হবে। আমি বললাম, কেন ? কোন বিশেষ উপলক্ষ্য ? সে বলল, আমার যে দেবরটার কথা তোমাকে বলেছিলাম সে আসবে, সে তোমাকে দেখতে চেয়েছে। এর আগে একবার সে আমাকে ফোনে তার দূরসম্পর্কের এক দেবরের কথা বলেছিল। তার সে দেবর আমার ইউনিভার্সিটি থেকেই পাস করেছেন। নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ থেকে পাস করেছেন তিনি। ঢাকায় একটা এনজিওতে কর্মরত আছেন। শুনেছি, একটা স্বনামধন্য টিভি চ্যানেলে অ্যাসিস্ট্যান্ড অফিসার হিসেবে যোগ দেবার কথা বার্তা চলছে।

আমার বাবা মায়ের শখ হল কোন সরকারি চাকরি অথবা কোন ভার্সিটির শিকের সাথে আমার বিয়ে দেবেন। কপালে তেমন জুটছেনা বলে তারা কিছুটা হতাশাগ্রস্থ এবং সেই শখেও হয়তো কিছুটা ভাটা পড়েছে। তা না হলে এনজিওতে চাকরি করে কিংবা টিভি চ্যানেলের প্রডিউসার হিসেবে যোগদান করবে এমন ছেলের কথাও তারা ইদানিং চিন্তা করতে পারছেন। আমার অবশ্য ছেলের সরকারি চাকরি হতে হবে এমন ভাবনা কখনও কাজ করেনি। আমি সবসময় ভাবি আমার একজন ভালো সঙ্গী চাই, যে একই সাথে আমার স্বামী হবে, প্রেমিক হবে, বন্ধু হবে।

(২)

মুক্তা আপুর কথা মত পরদিন সকালে তার বাসায় গেলাম। আপু আমাকে শাড়ি পরতে বলল। আলমারি খুলে দিয়ে শাড়ি বাছাই করতে বলল। ওদিকে তার কত ব্যস্ততা, রান্না করছে, ছেলেকে স্কুল থেকে আনতে হবে। শাড়ি দেখতে দেখতে একটা হালকা সবুজ রঙ্গের শাড়ি চোখে পড়ল। ভাবলাম এটাই পড়ব। ভাবতে ভাবতে একটা দিনের কথা মনে পড়ে গেল। শাড়ি পরে কারও সামনে যাওয়ার এক তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা ভাবতেই আমার মুখ শুকিয়ে আসল। আমার ছোট ফুপু একবার এক পাত্র ও তার পরিবারের সামনে আমাকে শাড়ি পরিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। পাত্রের বোন শাড়ি তুলে আমার পা দেখছিল। পায়ে হাই-হিল পরা আছে কিনা সেটা দেখছিল নাকি মুখের রংয়ের সাথে পায়ের রংয়ের মিল আছে কিনা দেখছিল আমি আজও ভেবে পাই না। এখনকার সময়ে শিক্ষিত পরিবারে এভাবে দেখার রেওয়াজ বেশ কয়েকবছর হল উঠে গেছে। পাত্রের বোনের এধরনের আচরনে আমি এতটাই হতবাক হয়েছিলাম যে, এটা আমার জন্য একই সাথে বেদনার ও অপমানের- সেটাই অনুভব করতে পারছিলাম না।

হালকা সবুজ রংয়ের শাড়িটা পরলাম। চোখে একটু কাজল দিলাম আর ঠোঁটে লিপষ্টিক। কপালে টিপ, কানে দুল, হাতে চুড়ি কিংবা গলায় মালা- এসব আর পরলাম না। রবি ঠাকুর যদি আজ বেঁচে থাকতেন আর আমার এই সাজটিকে কল্পনা করতেন তাহলে আমার এই সাদা-সিধে সাজ ও চেহারাকে স্বর্গের অপ্সরী করে তুলতেন তার অসাধারন ভাষাশৈলীর কায়দায় ফেলে। আমার কপাল খারাপ, রবি ঠাকুরও বেঁচে নেই, আমিও অপ্সরী হতে পারলাম না।

দুপুরের ঠিক আগে আগে ছেলেটি আসল । কিছুটা সস্তির ব্যাপার এটা যে, ছেলেটি একা এসেছে। ছেলেটির নাম সৃজন বিশ্বাস। আপু আমাকে তার সামনে নিয়ে গিয়ে বলল, এই হল আমার মামাতো বোন শীলা। আমি তার বিপরীত দিকে এক সোফায় গিয়ে বসলাম। সৃজন বিশ্বাস দেখতে বেশ সুন্দর। মেদহীন ফর্সা শরীর। নাকটা সরু। চোখ দুটো বড় না হলেও গভীরতা আছে। লম্বায় কিছুটা কম হলেও বুদ্ধির ধারে সেটা চোখে পড়ে না। ইতিপুর্বে কোন বিয়ের যোগ্য পাত্রী কোন পাত্রের বর্ণনা এভাবে করেছে কিনা আমার জানা নেই। আমি কি নির্লজ্জের মত সেটা করলাম। সৃজন বিশ্বাসের পাশেই বসেছিল আট বছর বয়সের মুক্তা আপুর ছেলেটি, নাম অরিত্র। অনেক কথার মাঝে তিনি অরিত্রকে বললেন তুমি কি জান আমরা দুজন একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছি। তার এই কথাটি আমার ভেতরে কোথাও যেন একটু দোলা দিল। মনে হল আমার চিরচেনা কোন মুখ আমার সামনে বসে এ কথা বলছে। অথচ আলাপ করে জানতে পারলাম, আমি যখন প্রানিবিদ্যা বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্রী তখন উনি নাট্যতত্ত¡ বিভাগের মাষ্টার্সের ছাত্র। আমরা দু’জন দু’জনকে কখনও দেখেছি বলে মনে হল না।

আমরা একসাথে বসে দুপুরের খাবার খেলাম। খাওয়ার এক ফাকে তিনি অরিত্রকে বললেন, অরিত্র তোমার আন্টি কিন্তু কিছুই খাচ্ছে না। কথাটি শুনে কিছুটা লজ্জা পেলাম। কি বলব বুঝতে পারছিলাম না। খাওয়া শেষে সৃজন বিশ্বাস ও আপুর মধ্যে কথা হল। আমি পাশের ঘরে ছিলাম। আপু এসে বলল, সৃজন বিশ্বাস তোমাকে পছন্দ করেছে, ও বলল আগাতে পারেন। এ কথার উত্তরে কি বলা উচিত ঠিক বুঝে উঠতে পারলাম না, শুধু মনে মনে একটা পুলকবোধ করতে লাগলাম। আপু আমার মতামত জানতে চাইল। আমি বললাম, ঠিক আছে আগান।

(৩)

সৃজন বিশ্বাসের চাচাতো ভাই হল আবির বিশ্বাস। তিনি আমাদের ইউনিভার্সিটির নাট্যতত্ত¡ বিভাগ থেকেই পড়ালেখা করেছেন। তিনি সৃজন বিশ্বাসের চেয়ে ছয় ইয়ার সিনিয়র ছিলেন। অর্থাৎ সৃজন বিশ্বাস যখন ১ম বর্ষে ভর্তি হয় তখন আবির বিশ্বাস পাস করে বেরিয়ে গেছেন। আমি যখন মাস্টার্সে পড়ি তখন আবির বিশ্বাস পিএইচডি করছিলেন। সৃজন বিশ্বাসের সাথে পরিচয় না ঘটলেও দুর সম্পর্কের বেয়াই সুত্রে আবির বিশ্বাসের সাথে ইতিপুর্বে পরিচয় ঘটেছিল। তাই একদিন বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরিতে বসে আবির বিশ্বাস যখন তার গবেষণা পত্রের জন্য বই ঘাটছিলেন, আমি তাকে দেখেই চিনতে পেরেছিলাম। এগিয়ে গিয়ে জিজ্ঞেস করছিলাম, ভাইয়া আমাকে চিনতে পারছেন ? প্রথমে চিনতে না পারলেও পরিচয় দেবার পর চিনতে অসুবিধা হল না। বেশ আগ্রহের সাথেই উনি আমার সাথে কথা বলা শুরু করলেন। ওনার কথা শুনে আমার এই স্বল্প জ্ঞানে মনে হয়েছিল উনি অনেক জ্ঞানী ব্যক্তি। জ্ঞান ও ভাবের জগতই তার বিচরন ত্রে।

এখানে আবির বিশ্বাসের কথা বলার কারন এই যে, সৃজন বিশ্বাস সেদিন আমাকে দেখে যাওয়ার পর আবির বিশ্বাসের সাথে আলাপ করলেন। সৃজন বিশ্বাসের মুখে আমার কথা শুনে তিনি নিশ্চয়ই বলেছিলেন ওকে তো আমি খুব ভালো করে চিনি।

সেদিন বিকেলে আমার একটি ছবি নেয়ার জন্য সৃজন বিশ্বাস আবার আসলেন। সেই সাথে বললেন যে আবির বিশ্বাস আমার সঙ্গে আলাপ করতে চেয়েছেন। আমি পরদিন তার সঙ্গে দেখা করতে গেলাম তার অফিসে।

(৪)

আবির বিশ্বাস আমাকে তার রুমে নিয়ে গেলেন। একটা মেয়েকে ডেকে চা দিতে বললেন। কথা বলার ফাঁকে তিনি আমাকে বললেন, তোমার দুই একটা খারাপ ও ভাল দিক বল। শুনেছি চাকরির ইন্টারভিউ এর সময় এ ধরনের মনস্তাত্তি¡ক প্রশ্ন মাঝে মাঝে করা হয়। তার কথা শুনে আমি অবাক হইনি কারন আমি জানি তিনি অসাধারন জ্ঞানের অধিকারী। তিনিই এ ধরনের কথা বলতে পারেন। আমি বললাম, ভাল ও খারাপ বিষয় দুটো তো আপেকি। আমার কাছে যেটা ভাল আপনার কাছে বা আরেকজনের কাছে সেটা ভাল নাও লাগতে পারে। খারাপের বেলাতেও তাই। তারপরও আমি বলছি পজিটিভ মেন্টালিটি যদি কোন ভাল কিছু হয়ে থাকে সেটা আমার মধ্যে আছে। আর আমার মতে যেটা খারাপ, সেটা আমি সব সময় এড়িয়ে চলি বা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি। অবশ্য কালভেদে খারাপ ভালোর পরিবর্তন হতে পারে। তবে আমার একটা বড় দুর্বলতা এই যে, আমি স্বপ্ন দেখতে ভালবাসি কিন্তু সেটাকে বাস্তবে রুপ দেবার চেষ্টার ক্ষেত্রে, আমি কিছুটা অলস। আমার কথা শুনে তিনি বলেছিলেন, তুমি একটা জ্ঞানী মেয়ে, তোমার কথায় সেটা ধরা পড়ে। এরকম আরও অনেক কথাই হল।

রাতে সৃজন বিশ্বাস আমাকে ফোন দিলেন। তিনি বললেন আবির ভাই তো তোমার অনেক প্রশংসা করল, তুমি অনেক ধীর-স্থির, শান্ত, জ্ঞানী, পড়–য়া একটি মেয়ে। আমি কোন উত্তর করার আগেই তিনি আরও বললেন, লুনাকে ফোন দিয়েছিলাম, সে বলল, সেজুতির সাথে আপনার বিয়ে হলে অনেক ভাল হবে। লুনা আপু, মুক্তা আপুর ছোট বোন, সেও নাট্যতত্ত¡ বিভাগ থেকেই পড়ালেখা করেছে।

(৫)

দুদিন পরে আমি বাড়ি চলে এলাম। কলেজ থেকে দুই মাসের ছুটি নিয়েছি পরীা উপলক্ষে। আমি একটা বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জীব প্রযুক্তি ও জিন প্রকৌশল বিভাগ থেকে মাষ্টার্স করছি, কিছুদিন পরেই ফাইনাল পরীা। এটা হয়ে গেলে ডাবল মাষ্টার্স হবে। এ প্রসঙ্গে সেদিন ফোনে সৃজন বিশ্বাস আমাকে ঠাট্টা করে বলেছিলেন, এত ডিগ্রি দিয়ে কি করবে ? আমিও সহাস্যে বলেছিলাম, মাথায় নিয়ে ফেরি করে বিক্রি করব। তিনি আজ আবার ফোন দিয়েছিলেন, তিনি বললেন, কাল রাতে তোমার ছবিটা বের করে দেখলাম আর ভাবলাম এই মানুষটাই কি আমার সারাজীবনের সঙ্গী হতে যাচ্ছে ? তিনি আরও বললেন, ঢাকায় এসে একদিন আমার সাথে দেখা করো। বিয়ের ব্যাপারে চুড়ান্ত সিদ্ধান্তে যাওয়ার আগে আমাদের একদিন সরাসরি কথা বলা দরকার। ফোন রাখার পর মনে মনে ভাবতে লাগলাম, বিয়ে এমন একটা বন্ধন যার মধ্য দিয়ে একজন মানুষ সারা জীবনের জন্য আরেকজনের হয়। দুজন দুজনার সুখ-দুঃখের ভাগিদার হয়ে যায়। স্বর্গসুখ নেমে আসে এই পৃথিবীর সংসারে।

গ্লিটজ2 weeks ago

সিনেমার প্রচারণায় ক্রিকেট ম্যাচ!

অপু বিশ্বাসের নাচের ভিডিও ভাইরাল (ভিডিও)
ঢালিউড7 days ago

অপু বিশ্বাসের নাচের ভিডিও ভাইরাল (ভিডিও)

গ্লিটজ2 weeks ago

এবার শিল্পী সমিতির নির্বাচনে শাকিব খান-ডিএ তায়েব প্যানেল!

অন্যান্য1 week ago

সাংবাদিক নয়, ইউটিউবার ভেবে ক্ষিপ্ত হন শাকিব খান

টালিউডের বিচ্ছেদ হওয়া যত নায়িকারা! ৫ নম্বরটা জানলে অবাক হবেন!
ঘটনা রটনা1 week ago

টালিউডের বিচ্ছেদ হওয়া যত নায়িকারা! ৫ নম্বরটা জানলে অবাক হবেন!

ইয়োগা
স্বাস্থ্য2 weeks ago

ইয়োগা বিষয়ে যে ৮টি তথ্য কেউ দেবে না আপনাকে

সুস্থ থাকতে চাইলে তাড়াতাড়ি বিয়ে করুন
সম্পর্ক2 weeks ago

সুস্থ থাকতে চাইলে তাড়াতাড়ি বিয়ে করুন

বিয়ের প্রথম রাতে নারী-পুরুষ উভয়েই মনে রাখবেন যে বিষয়গুলো
সম্পর্ক2 weeks ago

বিয়ের প্রথম রাতে নারী-পুরুষ উভয়েই মনে রাখবেন যে বিষয়গুলো

নিকুল কুমার মণ্ডল
গ্লিটজ7 days ago

তিন ছবি আমার জীবন বদলে দিয়েছে :নিকুল কুমার মণ্ডল

শাকিব খান
ঢালিউড1 week ago

গুঞ্জন নয়, এবার সত্যি নির্বাচন করছেন শাকিব খান

বিয়ের প্রথম রাতে নারী-পুরুষ উভয়েই মনে রাখবেন যে বিষয়গুলো
সম্পর্ক2 weeks ago

বিয়ের প্রথম রাতে নারী-পুরুষ উভয়েই মনে রাখবেন যে বিষয়গুলো

আরমান আলিফ
সঙ্গীত2 weeks ago

সন্দেহ ডেকে আনে সর্বনাশ : আরমান আলিফ

সালমান শাহকে নিয়ে সেই গান প্রকাশ হল
ঢালিউড2 months ago

সালমান শাহকে নিয়ে সেই গান প্রকাশ হল, পরীমনির প্রশংসা

পাকিস্তানের ক্যাপিটাল টিভি চ্যানেলে প্রচারিত টকশোর স্ক্রিনশট। ছবি: সংগৃহীত
ভিডিও2 months ago

সুইডেন নয়, পাকিস্তান এখন বাংলাদেশ হতে চায় (ভিডিও)

Drink coffee in a tank of thousands of Japanese carp in Saigon
ভিডিও3 months ago

যে রেস্টুরেন্টে আপনার পা নিরাপদ নয় (ভিডিওটি ২ কোটি ভিউ হয়েছে)

ঘাউড়া মজিদ এখন ব্যবসায়ী
টেলিভিশন3 months ago

‘ঘাউড়া মজিদ এখন ব্যবসায়ী’ (ভিডিও দেখুন আর হাসুন)

‘আমরা গরিব হইতে পারি, কিন্তু ফকির মিসকিন না’
অন্যান্য3 months ago

‘আমরা গরিব হইতে পারি, কিন্তু ফকির মিসকিন না’

রঙ্গন হৃদ্য (Rangan riddo)। ছবি : সংগৃহীত
অন্যান্য3 months ago

ভাইরাল রঙ্গন হৃদ্যকে নিয়ে এবার সমালোচনার ঝড়

শুভশ্রী গাঙ্গুলী
টলিউড3 months ago

এটাও জানেন শুভশ্রী!

তৌসিফ মাহবুব
অন্যান্য3 months ago

তৌসিফের এই ছবি এখন আলোচনায় (ভিডিও)

সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : তাহমিনা সানি
প্রকাশক : রামশংকর দেবনাথ
বিভাস প্রকাশনা কর্তৃক ৬৮-৬৯ প্যারীদাস রোড, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০ থেকে প্রকাশিত।
ফোন : +88 01687 064507
ই-মেইল : rupalialo24x7@gmail.com
© ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | রূপালীআলো.কম