Connect with us

মতামত

শক্তিশালী জোট এবং বিশ্বব্যাপী প্রভাব | রায়হান আহমেদ

Published

on

শক্তিশালী জোট এবং বিশ্বব্যাপী প্রভাব | রায়হান আহমেদ

 

স্নায়ুযুদ্ধোত্তর সময়ে আবির্ভাব হওয়া নতুন বিশ্ব-ব্যবস্থায় বিরুদ্ধ অবস্থায় পড়ার পর চীন ও রাশিয়ার মধ্যে নতুন সম্পর্ক সৃষ্টি হয় এবং এই দুই শক্তি আবার একত্রিত হতে শুরু করে। রাশিয়ান পণ্যের একটি ক্রমবর্ধমান বাজার হিসাবে এবং পশ্চিমী আক্রমণের বিরুদ্ধে একটি নির্ভরযোগ্য রাজনৈতিক সহযোগী হিসাবে মস্কোর কাছে অতি দরকারি ছিল চীন। আর সামরিক এবং আকাশ প্রযুক্তির উৎস হিসাবে রাশিয়া ছিল চীনের কাছে অমূল্য।সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন এবং স্নায়ুযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বব্যাপী একমাত্র পরাশক্তি হিসাবে আবির্ভূত হয়। একটি দুর্নীতিগ্রস্ত অভিজাততন্ত্রের অধীন রাশিয়া এবং সবেমাত্র তিয়ানানমেন গণহত্যাউত্তর বিচ্ছিন্নতা থেকে ওঠে আসা একটি বিকাশমান দেশ চীন মার্কিন শ্রেষ্ঠত্বের অবস্থানকে বেশ কিছু ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ করছে যদিও এক সময় রাশিয়ান সমাজ বিশৃঙ্খলা ও সঙ্কটের একটি অগ্নিকুন্ডের মধ্যে পড়েছিল। কিন্তু পশ্চিমারা পূর্ব ইউরোপে অনাচার অব্যাহত রাখার ফলে ন্যাটো এবং ইইউ এর মতো পশ্চিমা প্রতিষ্ঠানগুলিতে রাশিয়ার প্রভাব বিস্তারের অবকাশ তৈরি হয়।কেবলমাত্র বিশ্ব বাণিজ্যের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করতে শুরু করা চীন জাপানের অর্থনৈতিক শক্তি এবং মার্কিন সামরিক ক্ষমতা দ্বারা এক সময় চাপের মধ্যে ছিল।আজকের বিশ্বে যে অবস্থা বিরাজ করছে তা ১৯৯০ এর দশকের প্রথম দিকের পরিস্থিতি থেকে বেশ ভিন্নতর। চীন এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি এবং ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতামূলক অত্যাধুনিক শিল্পের বিকাশ ঘটাচ্ছে দেশটি যা একসময় পশ্চিমা বিশ্ব ও জাপানি কোম্পানি আর প্রতিষ্ঠানগুলির একচ্ছত্র অধিকারে ছিল।তবে ভবিষ্যতে,এর মাধ্যমে কেবল চীনই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক শক্তিকে চ্যালেঞ্জ করবে তা নয় একইসাথে এটি ইরান, নাইজেরিয়া এবং পাকিস্তানের মত দেশকে জাপান, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যের সামনে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ হাজির করার মতো অবস্থায় নিয়ে যাবে।

অন্যদিকে মধ্য এশিয়ার অন্তহীন প্রান্তর এবং সাইবেরিয়ার হিমায়িত বনরাজির অব্যাহত সারির মধ্যে রাশিয়া ও চীনের সীমানা একস্থানে মিলিত হয়। এই বিশাল গভীর ভূখণ্ডে ইউরেশিয়ার পশ্চাতভূমি দুটি শক্তিশালী প্রতিবেশীর মধ্যে ক্রমবর্ধমান জোটকে ভূ-রাজনৈতিক সুবিধা এনে দিয়েছে। আর এটিকে তারা সাধারণ স্বার্থে ব্যবহার করছে যা পশ্চিমের বিকল্প অক্ষ ও মার্কিন-নিয়ন্ত্রিত পূর্ব এশীয় নেটওয়ার্কের পাল্টা ভিত্তি তৈরি করছে।এটি ঠিক যে,বৈশ্বিক বাণিজ্য সাত শিল্পোন্নত দেশের দ্বারা এখনো প্রভাবিত, যার মোট উৎপাদন পিপিপি (ক্রয় ক্ষমতার সমতা) অনুসারে বিশ্বের মোট উৎপাদনের প্রায় ৬০ শতাংশ। ইউরেশীয় মহাদেশের প্রশান্ত মহাসাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগর এলাকায় মার্কিন নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রসমূহ ও জাপান নিয়ে গঠিত জোটের নেটওয়ার্ক বৈশ্বিক বাণিজ্য ও ব্যবসায়ের একটি মঞ্চ হিসাবে এতদিন কাজ করেছে।
এর বিপরীতে,ইউরেশীয় পশ্চাদভূমি এক সময় ব্যর্থ রাষ্ট্র, দারিদ্র্য,দুর্নীতি এবং পশ্চাদপদতার বিস্তৃতি ঘটিয়েছে।এখন রাশিয়া ও চীন এই শক্তি অক্ষ থেকে সমান অংশগ্রহণকারী হিসাবে নিজেদেরকে তুলে এনে নতুন ভবিষ্যতের দিকে ছুটছে।সময়ের সাথে সাথে, ভ্লাদিমির পুতিনের শক্তিশালী শাসনব্যবস্থা এবং বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে চীনের জ্যোতির্ময়ী উত্থানের সময় উভয় শক্তির মধ্যে সুবিধাজনক মিলন ঘটে আর বৈশ্বিক ভারসাম্যকে তাদের অনুকুলে নিয়ে আসতে তারা একটি ব্যাপকভিত্তিক কৌশলগত রূপান্তরের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে।অপরদিকে ভূখণ্ডের বিবেচনায় রাশিয়া ও চীন বিশ্বের বৃহত্তম এবং তৃতীয় বৃহত্তম দেশ।এ দুটি দেশের মিলিত আয়তন ২৬ মিলিয়ন বর্গ কিলোমিটারেরও বেশি। ইউরেশীয় মহাদেশের এই দুই শক্তি সর্বশ্রেষ্ঠ ভূমি সাম্রাজ্যের অধিকারী।এই দুই বৃহৎ প্রতিবেশীর মধ্যে শান্তি বজায় থাকা অর্থ হলো প্রচুর পরিমাণ সম্পদ বেচে যাওয়ার নিশ্চয়তা।

তাছাড়া মহাসাগরীয় এবং স্থলভাগের সীমানা রক্ষায় তাদের ব্যয় করতে হতো বিপুল সম্পদ। এ ছাড়া তাদের সদ্ভাব মহাসাগরের বাইরে ক্ষমতার উৎস হিসাবে ভূ-রাজনৈতিক সুবিধাও নিশ্চিত করে। তাদের ভৌগোলিক বলয়ের অন্য দেশগুলো মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সংযুক্ত এবং অর্থনৈতিকভাবে প্রাণবন্ত যদিও ভৌগোলিকভাবে ছোট জাতি-রাষ্ট্র সমন্বয়ে তৈরি এই বলয়।অন্যদিকে রাশিয়া এখন এক উদ্দীপনামূলক রাজনৈতিক শক্তি যেটি পশ্চিমা নির্বাচন ব্যবস্থায় অনুপ্রবেশ করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। আর উদারবাদী পশ্চিমা শক্তিকে উৎখাত চেষ্টার মাধ্যমে যে জাতীয়তাবাদী চক্র প্রাধান্য বিস্তার করতে তৎপর সে শক্তির মধ্যে প্রভাব সৃষ্টি করছে।ইতিমধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন এবং তার ইউরোপীয় মিত্রের মধ্যে সৃষ্ট উত্তেজনায় ওয়াশিংটন নিজেকে গুটিয়ে নিতে শুরু করেছে।এক সময় যেখানে পশ্চিমাদের নিখুঁত আধিপত্য নিয়ে কোথায়ও প্রশ্ন ছিল না সেখানে আজ আমরা যেখানেই যাই না কেন সে প্রভাব খর্ব হতে দেখছি।নতুন সিল্ক রোড, নতুন বিশ্ব ব্যবস্থা চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিংপিং গত মধ্য-মে তার দেশের এক বেল্ট এক রোড উদ্যোগে জড়িত ৬৮টি দেশের নেতা এবং প্রতিনিধিদের স্বাগত জানান। অনেক রাষ্ট্রের শীর্ষ ব্যক্তিকে সেখানে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করতে ব্যর্থ হলেও এই শীর্ষ সম্মেলনের মহিমা চীনকে একটি নতুন বিশ্বমানের আধুনিকীকরণের জন্য অর্থনৈতিক সমন্বয় এবং বিনিয়োগের দৃঢ়সংকল্প এনে দিয়েছে।এই বেল্ট এবং রোড ইনিশিয়েটিভ চীন দ্বারা চালিত এবং রাশিয়ার দ্বারা দৃঢ়ভাবে সমর্থিত আন্ত: সীমান্ত বিনিয়োগ এবং ঋণের ফোকাস এজেন্ডা। এর মাধ্যমে সড়ক,ট্রেন এবং বন্দরসহ ব্যাপক অবকাঠামো নির্মাণে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে যার বড় অংশের যোগান দেবে চীন।

আর এই পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন হলে ইউরেশিয়া থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার স্যাভেনস পর্যন্ত মানব সভ্যতায় এক বিশাল আকারের রূপান্তর ঘটবে।
কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে,কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে, ভারতকে চীন ও পাকিস্তানের যৌথ শক্তির মোকাবিলা করতে হতে পারে। এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে পাল্টা রণকৌশল তৈরি রেখেছে ভারতও। আমেরিকা, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি’র মতো দেশের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক এবং সামরিক সমঝোতা দ্রুত বেড়েছে। জাপান এবং অস্ট্রেলিয়ার নৌ-সেনার সঙ্গে ভারতীয় নৌসেনার বোঝাপড়াও এখন ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনের মাথাব্যথার অন্যতম কারণ। আমেরিকা খোলাখুলিই বলছে, এশিয়া প্যাসিফিক এবং ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের ‘আগ্রাসন’ রুখতে নয়াদিল্লিই এখন ওয়াশিংটনের সবচেয়ে বড় মিত্র। দক্ষিণ চীন সাগরে ভারতের প্রভাব বাড়ায় আমেরিকা সন্তোষ প্রকাশ করেছে। ওই অঞ্চলে ভারতীয় নৌসেনাকে সঙ্গে নিয়ে যৌথ টহল শুরু করার প্রস্তাবও পেন্টাগন বার বার দিচ্ছে। ভারতের সঙ্গে এতগুলি শক্তিশালী দেশের সামরিক সমঝোতায় চীন যে উদ্বিগ্ন, তা বেজিং-এর বিভিন্ন মন্তব্যে বার বার স্পষ্ট হয়েছে।এবার পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার মন্তব্যে আরও স্পষ্ট হয়ে গেল সে কথা।পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা নাসির খান জানজুয়া ইসলামাবাদে দেয়া এক সাক্ষাত্কারে বলেছেন,পশ্চিমি দেশগুলি ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখতে চায়। কারণ ভারত এবং ওই দেশগুলির একটি অভিন্ন চীন-বিরোধী নীতি রয়েছে। কিন্তু চীন এই অঞ্চলে তথা গোটা বিশ্বে শান্তি চায়।এই সব দেশগুলির বিরুদ্ধে চীনের কোনো অসদুদ্দেশ্য নেই।’’ ভারতের সঙ্গে হাত মিলিয়ে চীনকে রোখার যে নীতি আমেরিকা এবং অন্য দেশগুলি নিয়েছে, তা এখনই পরিত্যাগ করা উচিত বলে পাক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার মত।

অপরদিকে দারিদ্র্য এবং বিচ্ছিন্নতায় হারিয়ে যাওয়া বিপুল জনগোষ্ঠী অবশেষে বিশ্ব অর্থনীতির মূল ভিত্তিতে পরিণত হবে।বি আরআই এজেন্ডার চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো বৈশ্বিক বাণিজ্য এবং শক্তি কেন্দ্র তার অনুকুলে স্থানান্তর করা। এই পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন হলে অবশ্যই আফ্রিকার বাজার ও অর্থনীতির বিশাল সম্ভাবনা পূরণ করার মাধ্যমে এই অঞ্চলটি ক্রমবর্ধমান সমৃদ্ধির অংশ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হবে।সন্দেহ নেই যে, শিল্পোন্নত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সেরা অর্থনীতিতে পরিণত হবার পর প্রায় এক শতক ধরে বিশ্বব্যাপী যে ক্ষমতার চর্চা করছে তাতে কয়েক দশক ধরে সম্ভাব্য দশ ট্রিলিয়ন ইউয়ান ব্যয়ে বাস্তবায়নের এই কৌশলটি ভারসাম্য নিয়ে আসতে পারবে।এই বিশাল বাণিজ্যিক রাস্তা সংলগ্ন দেশসমূহকে চীনের দিকে নিয়ে যাবে আর এটি হবে চীন-রাশিয়ান জোট দ্বারা প্রভাবিত বিশাল এক বলয়,এক অভিজাত ইউরেশীয় দুর্গ।কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থা বিচ্ছিন্নতা বহন করার মতো নয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সচিব জেমস ম্যাট্টিসের কথা অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দুটি বড় শক্তি সম্পন্ন এক ব্যতিক্রমী জাতি। এর এক অভূতপূর্ব শক্তি হলো, তার সামরিক ক্ষমতা। আর অন্যটি হলো অনুপ্রেরণা, তার অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক শক্তিমত্তা।এমনকি চীন ও রাশিয়ার নিজেদেরকে ক্ষমতার বিকল্প একটি কেন্দ্র গড়ে তোলার কৌশলেও এই সত্যগুলো প্রতিস্থাপিত হয় না। এ কারণে উভয় দেশ এখনও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্ক চায় তবে,মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামনে তার লিভারেজ বা সুবিধা ব্যবহার করার সময় সঙ্কুচিত হয়ে আসছে।এটি অনস্বীকার্য যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লিভারেজ হলো তার শক্তিশালী জোট এবং বিশ্বব্যাপী প্রভাব।

 

রায়হান আহমেদ : কলাম লেখক
raihan567@yahoo.com

গ্লিটজ2 weeks ago

সিনেমার প্রচারণায় ক্রিকেট ম্যাচ!

অপু বিশ্বাসের নাচের ভিডিও ভাইরাল (ভিডিও)
ঢালিউড1 week ago

অপু বিশ্বাসের নাচের ভিডিও ভাইরাল (ভিডিও)

গ্লিটজ2 weeks ago

এবার শিল্পী সমিতির নির্বাচনে শাকিব খান-ডিএ তায়েব প্যানেল!

অন্যান্য1 week ago

সাংবাদিক নয়, ইউটিউবার ভেবে ক্ষিপ্ত হন শাকিব খান

টালিউডের বিচ্ছেদ হওয়া যত নায়িকারা! ৫ নম্বরটা জানলে অবাক হবেন!
ঘটনা রটনা1 week ago

টালিউডের বিচ্ছেদ হওয়া যত নায়িকারা! ৫ নম্বরটা জানলে অবাক হবেন!

ইয়োগা
স্বাস্থ্য2 weeks ago

ইয়োগা বিষয়ে যে ৮টি তথ্য কেউ দেবে না আপনাকে

সুস্থ থাকতে চাইলে তাড়াতাড়ি বিয়ে করুন
সম্পর্ক2 weeks ago

সুস্থ থাকতে চাইলে তাড়াতাড়ি বিয়ে করুন

বিয়ের প্রথম রাতে নারী-পুরুষ উভয়েই মনে রাখবেন যে বিষয়গুলো
সম্পর্ক2 weeks ago

বিয়ের প্রথম রাতে নারী-পুরুষ উভয়েই মনে রাখবেন যে বিষয়গুলো

নিকুল কুমার মণ্ডল
গ্লিটজ1 week ago

তিন ছবি আমার জীবন বদলে দিয়েছে :নিকুল কুমার মণ্ডল

শাকিব খান
ঢালিউড1 week ago

গুঞ্জন নয়, এবার সত্যি নির্বাচন করছেন শাকিব খান

বিয়ের প্রথম রাতে নারী-পুরুষ উভয়েই মনে রাখবেন যে বিষয়গুলো
সম্পর্ক2 weeks ago

বিয়ের প্রথম রাতে নারী-পুরুষ উভয়েই মনে রাখবেন যে বিষয়গুলো

আরমান আলিফ
সঙ্গীত2 weeks ago

সন্দেহ ডেকে আনে সর্বনাশ : আরমান আলিফ

সালমান শাহকে নিয়ে সেই গান প্রকাশ হল
ঢালিউড2 months ago

সালমান শাহকে নিয়ে সেই গান প্রকাশ হল, পরীমনির প্রশংসা

পাকিস্তানের ক্যাপিটাল টিভি চ্যানেলে প্রচারিত টকশোর স্ক্রিনশট। ছবি: সংগৃহীত
ভিডিও3 months ago

সুইডেন নয়, পাকিস্তান এখন বাংলাদেশ হতে চায় (ভিডিও)

Drink coffee in a tank of thousands of Japanese carp in Saigon
ভিডিও3 months ago

যে রেস্টুরেন্টে আপনার পা নিরাপদ নয় (ভিডিওটি ২ কোটি ভিউ হয়েছে)

ঘাউড়া মজিদ এখন ব্যবসায়ী
টেলিভিশন3 months ago

‘ঘাউড়া মজিদ এখন ব্যবসায়ী’ (ভিডিও দেখুন আর হাসুন)

‘আমরা গরিব হইতে পারি, কিন্তু ফকির মিসকিন না’
অন্যান্য3 months ago

‘আমরা গরিব হইতে পারি, কিন্তু ফকির মিসকিন না’

রঙ্গন হৃদ্য (Rangan riddo)। ছবি : সংগৃহীত
অন্যান্য3 months ago

ভাইরাল রঙ্গন হৃদ্যকে নিয়ে এবার সমালোচনার ঝড়

শুভশ্রী গাঙ্গুলী
টলিউড3 months ago

এটাও জানেন শুভশ্রী!

তৌসিফ মাহবুব
অন্যান্য3 months ago

তৌসিফের এই ছবি এখন আলোচনায় (ভিডিও)

সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : তাহমিনা সানি
প্রকাশক : রামশংকর দেবনাথ
বিভাস প্রকাশনা কর্তৃক ৬৮-৬৯ প্যারীদাস রোড, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০ থেকে প্রকাশিত।
ফোন : +88 01687 064507
ই-মেইল : rupalialo24x7@gmail.com
© ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | রূপালীআলো.কম