Connect with us

গল্প

রুবেলের ময়না পাখি | ফয়সাল শাহ

Published

on

রুবেলের ময়না পাখি | ফয়সাল শাহ
রুবেলের ময়না পাখি | ফয়সাল শাহ

পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র রুবেল প্রতিদিন স্কুলে যায়। বাড়ির পাশেই তার স্কুল, একেবারেই হাটতে হয় না। অন্যান্য গ্রামের ছাত্রদের অনেক দূর পথ হেঁটে স্কুলে যেতে হয়। রুবেলের গ্রামের পশ্চিমে ব্রহ্মপুত্র নদ এবং দেিণ নরুসুন্দা নদী। গ্রামের নাম সখিচর। রুবেল খুবই দুষ্টু-দূরন্ত প্রকৃতির চঞ্চল ছেলে। স্কুলের কাশের সময়টুকু বাদে সারাদিন চলে তার দুরন্তপনা। বাড়ির পেছনে বিরাট জঙ্গঁল নানা ধরনের গাছ, পাখি আর বন্যপ্রাণী। সখীপুর গ্রামেই রয়েছে খাল, বিল, আর অনেকগুলো পুকুর।

রুবেল স্কুল কখনো কামাই করে না, যদিও তার লেখাপড়ায় একেবারেই মন বসতো না। কিন্তু কখনো কসে শিকের শাস্তি পেতে হতো না কারণ যতটুকু না পড়লেই নয় ততটুকু পড়া ও বাড়ির কাজ সে করতো। শ্রেণিকে শিকের বকুনি ও পিটুনী সে একেবারেই সহ্য করতে পারত না। রুবেল দুষ্টু হলেও অন্যান্য ছাত্রদের তুলনায় একটু মুখচোরা ও লাজুক প্রকৃতির ছিল। কখনো শ্রেণিকে শিকের বকুনি বা পিটুনী খেলে লজ্জায় সে লাল হয়ে যেত। সারাদিন তার মন খুবই খারাপ থাকত, সেদিন আর ঠিকমত খেলাধূলায় মন বসতো না। মন ভাল করার জন্য একা একা নরুসুন্দা নদীর তীরে বসে বসে পানির ঢেউ দেখতো। জেলের মাছ ধরা আর পালতোলা বড় নৌকা দেখে দেখে মন ভাল করে নিত। কাজল, নজরুল, অজিত, মামুন তার কাছের বন্ধু ছিল। খেলাধূলা, মারামারি, দুষ্টুমিতে এরাই তার সর্বণের সাথী ছিল, সকলেই রুবেলের পরশী।

একদিন স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে রাস্তার পাশে একটি বড় কাঠাল গাছের খোড়লে ময়না পাখির ছানাদের শব্দ পেল। রুবেল কাজলকে বললো ময়না পাখির ছানাগুলো মনে হয় একবারে ছোট, পাখনা গজালে আরেকটু বড় হলে বাড়িতে নিয়ে খাঁচায় রেখে পুষবো। ময়না পাখি পোষ মানলে কথা বলতে পারে শিষ দিতে পারে। দশ পনেরদিন পর দু’জনে মিলে বাজার থেকে দুটি পাখির খাচা কিনে নিয়ে এলো। পরের দিন রুবেল মই দিয়ে কাঠাল গাছে উঠে তিনটি বড় ছানা ধরে দুটি সে নিল একটি কাজলকে দিল। প্রতিদিন সকাল দুপুর ও বিকেলে এদের খাবার দিতে হয়। তাই রুবেল ও কাজল ধানের খেত থেকে ঘাসফড়িং, ফালফড়িং ধরে ছানাদের খাওয়াতে লাগল। রুবেলের এখন সারাদিন কাটে পাখি দুটি নিয়ে। খেলাধূলা ও দুষ্টুমী কমিয়ে দিয়েছে। সুযোগ পেলেই পাখির সামনে বসে শিষ দেয় এবং কথা বলে। দিন দিন এভাবে ছানা দুটি বড় হতে লাগল। রুবেলের দিন ভালই যাচ্ছিল, তার বন্ধুরা মাঝে মাঝে ছানা দুটিকে দেখতে আসত। ছানা দুটি যখন বড় হয়ে গেল, একটু একটু করে তারা শিষ দিতো ও কথা বলা শিখতে লাগল। বাড়ীতে কোন মেহমান আসলে বলতো, টোমার নাম কি? কোঠা ঠেকে এসেছো। আবার পাখি দুটো এখন কলাও দুধভাত খায়। রুবেলের এখন আর কষ্ট করে মাঠে মাঠে ঘুরে ধান তে থেকে ঘাসফড়িং ধরতে হয় না। দুমাসে রুবেল গ্রামের এমন কোন ধানতে নেই যেখানে সে চষে না বেড়িয়েছে। মাঝে মাঝে ধানেেত অন্যান্য পোকার কামড় খেতে হয়েছে। একদিন একটি গান্ধী পোকা উড়ে এসে রুবেলের গেঞ্জির ভিতর ঢোকে গেল, তাড়াতাড়ি করে রুবেল গেঞ্জীখোলে ফেললো, কিন্তু ইতোমধ্যে গান্ধীপোকা তার পিঠে একটি কামড় বসিয়ে দিয়েছে, সে কি জ্বালাতন, তাড়াতাড়ি করে বাড়ীতে এসে ডেটল পানি দিয়ে ধূয়ে ফেলল এবং একটু ব্যাথার বাম লাগিয়ে নিল।

একদিন রুবেলের বড়মামা তাদের বাড়িতে বেড়াতে এলো, খাচাঁতে ময়না পাখি দেখে রুবেলকে বকা দিয়ে বলল তুই জানিস না বনের পাখিদের খাচাঁয় বন্দী করতে নেই, এরা প্রকৃতির সৌন্দর্য মুক্ত আকাশে এদের বিচরণ। এ কথা বলে খাচাঁর দরজা খোলে পাখি দুটিকে ছেড়ে দিল। ভয়ে রুবেল বড়মামাকে কিছুই বলতে পারল না। কিন্তু মনে মনে মামার উপর খুবই রাগ হলেও নিজেকে সামলে নিল। সারাদিন রুবেলের মন খারাপ গেল, কিছুই ভাল লাগছিল না, একা একা বাড়ির সামনে পুকুর পাড়ের জাম গাছে উঠে বসে রইল, আর আকাশের দিকে তাকিয়ে পাখি দুটিকে খুজছিল। সে দিন সারারাত রুবেল ঠিকমত ঘুমুতে পারল না শুধু পাখি দুটির জন্য তার মায়া হতে লাগল। নিজেকে একা একা মনে হচ্ছিল, তার কে যেন হারিয়ে গেছে। পরের দিন সকালে মন খারাপ করে স্কুলে চলে গেল, কাসেও মন বসে না। কাজলের কাছে মনখুলে সব কথা বলল। কাজল তার ময়না পাখিটা রুবেলকে দিয়ে দিতে চাইল। কিন্তু রুবেল যে দুটি ময়নাছানা পালন করে বড় করেছে, তাদের কথা ভুলতে পারছে না। স্কুল থেকে কাস শেষে বাড়িতে রুবেল ফিরে এলো, গোসল করে খাওয়া-দাওয়া সেরে নিল। পুকুর পাড়ে বসে একধ্যানে পানিতে হাঁসপোকাদের দৌড়াদৌড়ি ও তেলাপিয়া মাছদের সাঁতার দেখতে লাগল। হঠাৎ রুবেলের কাধে ও মাথায় ময়না পাখি দুটি এসে বসেছে এবং শিষ দিচ্ছে। প্রথমে রুবেল ভয় পেয়ে গিয়েছিল, বুকে একটু থু-থু করে নিল। সত্যি সত্যিই দেখা যাচ্ছে তার ময়না দুটি ফিরে এসেছে। রুবেল দুহাতের আঙ্গুলে পাখি দুটিকে বসিয়ে নিল, তারপর ধীরে ধীরে বাড়ীতে নিয়ে এসে তাদের কলা খেতে দিল, খাচার উপরে বসে বসেই তার কলা খাচ্ছে। এখন থেকে ময়না দুটি রাত্রে খাচার উপরই বসে ঘুমায় আর দিনের বেলা এদিক সেদিক ঘুরা ঘুরি করে। আর রুবেলের বাড়ীত ছেড়ে চলে যায় না। একদিন রাতে রুবেল ঘুমুচ্ছে মাঝরাতে ময়না পাখির ক্রে-ক্রে শব্দ শুনে ঘুম ভেঙ্গে গেল। বিছানা থেকে একলাফে উঠে বারান্দায় খাচার কাছে গিয়ে দেখে নীচের মেঝেতে কয়েকটি পাখনা পড়ে আছে। ময়না পাখি দুটি নেই। হারিকেন জালিয়ে চারদিকে খোঁজাখোজি করতে লাগল, এদিকে রুবেলের আম্মু ঘুম থেকে উঠে রুবেলকে বকা দিতে লাগল, এত রাত্রে তুমি বিছানা ছেড়ে বারান্দায় কি করছিস। রুবেল কাঁদতে কাঁদতে বলতে লাগল আম্মু আমার ময়না পাখি দুটিকে বনবিড়ালে ধরে নিয়ে গেছে। সারারাত রুবেল আর ঘুমুতে পারল না। আম্মু তাকে বুঝাতে লাগল বনের পাখিদের এভাবে পালতে নেই, তারা গৃহপালিত পশুপাখির মতো আমাদের পরিবেশে থাকতে পারে না। নিরাপত্তাহীনতা, রোগ-শোক এদের আক্রান্ত করে। তোর বড় মামাও ছোট থাকতে দুটি ঘুঘু পাখির ছানা পালত, কিন্তু একদিন সে পাখি দুটি হঠাৎ করে মারা যায়। তারপর থেকে সে আর কোন দিন পাখি পালেনি এবং অন্যদের পাখি পালতে দেয় না। আর তোর বড় মামা একবার হুন্ডা এক্সিডেন্ট করে ডান পায় ভেঙ্গেঁ ফেলেছিল, এখনো তার ধারনা ঘুঘু পাখি দুটির অভিশাপে তার এক্সিডেন্ট হয়েছিল।

ভোর সকালে ঘর থেকে বের হয়ে রুবেল আবার সারা বাড়ি ও পেছনের জঙ্গঁলে পাখি দুটিকে খুঁজতে থাকে। হঠাৎ দেখতে পেল জঙ্গঁলে গাব গাছের নিচে ময়না পাখির একটি ঠোট, হলুদ দুটি পা ও কিছু পাখনা পড়ে আছে। রুবেল নিশ্বিত হলো বনবিড়াল তার পাখিদের খেয়ে ফেলেছে, কারণ মাঝে মাঝেই বনবিড়ালগুলো বাড়ীর মুরগী ধরে খেয়ে ফেলে। খুব সাবধানে মুরগী পালতে হয়। রুবেল স্কুলে গিয়ে কাজল, অজিত, মামুন ও নজরুলকে সবঘটনা খুলে বলল। সকলেই রাগে কটমট করতে লাগল কারন বনবিড়ালগুলো সকলকেই খুব অতিষ্ট করে তুলেছে। জঙ্গলের আশে পাশে এমন কোন ঘর নেই, যাদের একটা না একটা মুরগী বনবিড়ালের পেটে গেছে। রুবেল বন্ধুদের নিয়ে বুদ্ধি করে বনবিড়ালগুলিকে কিভাবে শায়েস্তা করা যায়। কাজল বলে উঠল আমরা পাড়ার সকল ছেলেরা আগামী শুক্রবারে জোম্মার নামায পরে লাঠি-সোটা শাবল নিয়ে সারা জঙ্গল আক্রমন করে এদের যেকানেই পাব মেরে ফেলব। কাজলে কথায় সবাই সায় দিল। যথারীতি পাড়ার সকল ছেলেদের জানিয়ে দেয়া হলো বনবিড়াল নিধনের জন্যে আগামী শুক্রবার জুম্মার নামায পর সকলেই রুবেলের বাড়ির সামনে জমায়েত হবে।

কথামত পাড়ার সকল ছেলে লাঠি-সোটা নিয়ে রুবেলের বাড়ীর সামনে জমায়েত হয়। ইতোমধ্যে রুবেলের বড় মামা আবার তাদের বাড়িতে সময়মত হাজির। রুবেলসহ সকলের হাতে লাঠি-সোটা দেখে বড় মামা অবাক হয়ে গেলেন। রুবেলকে জিজ্ঞেস করলেন, কিরে তোরা আবার লাঠি-সোটা নিয়ে কোথায় মারামারি করতে যাচ্ছিস। রুবেল বনবিড়াল নিধনের কথা বিস্তারিত বর্ণনা করল। বড় মামা ছোট থেকেই প্রকৃতপ্রেমী ছিলেন, পন্ডিত মশাই তাকে প্রকৃতির সকল প্রাণী ও উদ্ভিদের প্রতি সদয় হবার শিা দিয়ে ছিলেন। এবার বড় মামা সকলের উদ্দেশ্যে বলতে লাগলেন, দেখ এ পৃথিবীতে আমাদের যেমন খেয়ে পরে বসবাস করার অধিকার রয়েছে তেমনি সৃষ্ট জীব হিসাবে সকল প্রাণীরও এ পৃথিবীতে নিরাপদে বসবাস করার অধিকার আছে। তাছাড়া সকল বন্য পশু পাখি মানুষের কোন না কোন ভাবে উপকার করে থাকে। তোমরা সকলে মিলে আজকে বনবিড়াল নিধনের জন্যে প্রস্তুত নিচ্ছ তা কিন্তু ঠিক না। তোমাদের জঙ্গলে শিয়াল, বনবিড়াল, বেজী, সাপ, সজারুসহ অন্যান্য বন্যপ্রাণী রয়েছে। তারা কিন্তু প্রকৃতির সন্তান হিসেবেই জঙ্গলে বসবাস করে। আমরা দিন দিন তাদের বসতি জঙ্গল কেটে ফেলাতে তারা লোকালয়ে চলে এসে আমাদের গৃহপালিত পশু-পাখি খেয়ে ফেলে। এটা তাদের দোষ নয় আমাদেরই দোষ। না বুঝে অতীতে আমরা পরিবেশের অনেক তি করেছি। আজকে সারা-পৃথিবীতে বন্যা, খরা, ঘূর্ণীঝড়, ভূমিকম্পসহ অন্যান্য যে ধরনের প্রাকৃতিক দূযোর্গ দেখা দিচ্ছে তার জন্য আমরাই দায়ী।

সুতরাং তোমরা এখনো শিশু, আগামী দিনের পৃথিবীতে তোমাদেরই বসবাস করতে হবে, সে জন্যে তোমাদের দায়িত্ব রয়েছে। প্রকৃতির সকল প্রাণী ও উদ্ভিদ রা করা। বড় মামার কথা শুনে রুবেলসহ সকলেই বুঝতে পারল বনবিড়াল নিধন করা উচিত নয়। তাই সকলে লাঠি ফেলে বাড়ীতে চলে গেল। এরপর থেকে তারা আর কোনদিন প্রকৃতির কোন পশু-পাখির তি করেনি, বরঞ্চ যারা তি করার চেষ্টা করেছে তাদেরকে বুঝিয়ে বিরত রেখেছে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

গ্লিটজ2 weeks ago

সিনেমার প্রচারণায় ক্রিকেট ম্যাচ!

অপু বিশ্বাসের নাচের ভিডিও ভাইরাল (ভিডিও)
ঢালিউড7 days ago

অপু বিশ্বাসের নাচের ভিডিও ভাইরাল (ভিডিও)

গ্লিটজ2 weeks ago

এবার শিল্পী সমিতির নির্বাচনে শাকিব খান-ডিএ তায়েব প্যানেল!

অন্যান্য1 week ago

সাংবাদিক নয়, ইউটিউবার ভেবে ক্ষিপ্ত হন শাকিব খান

টালিউডের বিচ্ছেদ হওয়া যত নায়িকারা! ৫ নম্বরটা জানলে অবাক হবেন!
ঘটনা রটনা1 week ago

টালিউডের বিচ্ছেদ হওয়া যত নায়িকারা! ৫ নম্বরটা জানলে অবাক হবেন!

ইয়োগা
স্বাস্থ্য2 weeks ago

ইয়োগা বিষয়ে যে ৮টি তথ্য কেউ দেবে না আপনাকে

সুস্থ থাকতে চাইলে তাড়াতাড়ি বিয়ে করুন
সম্পর্ক2 weeks ago

সুস্থ থাকতে চাইলে তাড়াতাড়ি বিয়ে করুন

বিয়ের প্রথম রাতে নারী-পুরুষ উভয়েই মনে রাখবেন যে বিষয়গুলো
সম্পর্ক2 weeks ago

বিয়ের প্রথম রাতে নারী-পুরুষ উভয়েই মনে রাখবেন যে বিষয়গুলো

নিকুল কুমার মণ্ডল
গ্লিটজ7 days ago

তিন ছবি আমার জীবন বদলে দিয়েছে :নিকুল কুমার মণ্ডল

শাকিব খান
ঢালিউড1 week ago

গুঞ্জন নয়, এবার সত্যি নির্বাচন করছেন শাকিব খান

বিয়ের প্রথম রাতে নারী-পুরুষ উভয়েই মনে রাখবেন যে বিষয়গুলো
সম্পর্ক2 weeks ago

বিয়ের প্রথম রাতে নারী-পুরুষ উভয়েই মনে রাখবেন যে বিষয়গুলো

আরমান আলিফ
সঙ্গীত2 weeks ago

সন্দেহ ডেকে আনে সর্বনাশ : আরমান আলিফ

সালমান শাহকে নিয়ে সেই গান প্রকাশ হল
ঢালিউড2 months ago

সালমান শাহকে নিয়ে সেই গান প্রকাশ হল, পরীমনির প্রশংসা

পাকিস্তানের ক্যাপিটাল টিভি চ্যানেলে প্রচারিত টকশোর স্ক্রিনশট। ছবি: সংগৃহীত
ভিডিও2 months ago

সুইডেন নয়, পাকিস্তান এখন বাংলাদেশ হতে চায় (ভিডিও)

Drink coffee in a tank of thousands of Japanese carp in Saigon
ভিডিও3 months ago

যে রেস্টুরেন্টে আপনার পা নিরাপদ নয় (ভিডিওটি ২ কোটি ভিউ হয়েছে)

ঘাউড়া মজিদ এখন ব্যবসায়ী
টেলিভিশন3 months ago

‘ঘাউড়া মজিদ এখন ব্যবসায়ী’ (ভিডিও দেখুন আর হাসুন)

‘আমরা গরিব হইতে পারি, কিন্তু ফকির মিসকিন না’
অন্যান্য3 months ago

‘আমরা গরিব হইতে পারি, কিন্তু ফকির মিসকিন না’

রঙ্গন হৃদ্য (Rangan riddo)। ছবি : সংগৃহীত
অন্যান্য3 months ago

ভাইরাল রঙ্গন হৃদ্যকে নিয়ে এবার সমালোচনার ঝড়

শুভশ্রী গাঙ্গুলী
টলিউড3 months ago

এটাও জানেন শুভশ্রী!

তৌসিফ মাহবুব
অন্যান্য3 months ago

তৌসিফের এই ছবি এখন আলোচনায় (ভিডিও)

সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : তাহমিনা সানি
প্রকাশক : রামশংকর দেবনাথ
বিভাস প্রকাশনা কর্তৃক ৬৮-৬৯ প্যারীদাস রোড, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০ থেকে প্রকাশিত।
ফোন : +88 01687 064507
ই-মেইল : rupalialo24x7@gmail.com
© ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | রূপালীআলো.কম