Connect with us

উপন্যাস

কফিমেকার | অরুণ কুমার বিশ্বাস-এর ধারাবাহিক উপন্যাস | পর্ব-১০

Published

on

কফিমেকার
  • পূর্ব প্রকাশের পর

দশ.
অলোকেশ রয় আপাতত নিষ্কর্মা বসে আছেন। তবে কাজ না থাকলেও বসে বসে মশা-মাছি তাড়ানো তার ধাতে নেই। তিনি রীতিমতো পাড়পাঠক। অলোকেশ মনে করেন, শুধু বই পড়ে তামাম দুনিয়া ঘুরে আসা যায়। সাথে একটু কল্পনার মিশেল থাকলেই চলে। মানে একটু রোম্যান্টিক হতে হয়। ¯্রফে বাস্তবতা দিয়ে তো জীবন চলে না।
অলোকেশ এয়ারপোর্টে তার রুমে বসে ‘ক্রাইম-কুইন’ খ্যাত সিডনি শেলডনের একখানা নভেল পড়ছেন। এয়ারপোর্ট মানে দিবারাত্রি সমান কথা। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক উড়ালবন্দর বস্তুত রিভারাইন ডেল্টা বাংলাদেশের গেটওয়ে। আরো দুখানা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট অবশ্য আছে, তবে ঢাকার সাথে কারো তুলনা চলে না। ক্যাপিট্ল বলে কথা।

কড়া এসি চলছে। পুরো এয়ারপোর্ট চত্বরে সেন্ট্রাল এসি, তাই চাইলেও কারো ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের দিকে মনোযোগী হবার উপায় নেই। উপন্যাসে জমে আছেন অলোকেশ। লেখিকা ভদ্রমহিলা রহস্যের জাল বুনতে ভয়ানক পারঙ্গম। ভয়ানক বললাম এই জন্যে যে, শেলডনের উপন্যাস মানেই জবরদস্ত অপরাধের গা-শিউরানো আখ্যান। সিরিয়াল কিলার থেকে শুরু করে সাইকোপ্যাথ ক্রিমিনালদের অবাধ আনাগোনা সেখানে।
অলোকেশ অবশ্য এক্ষেত্রে কাহিনিকার হিসেবে অস্কার ওয়াইল্ডকে খানিক এগিয়ে রাখছেন। কারণ গল্প নির্মাণে অস্কার ওয়াইল্ড মোটেও ওয়াইল্ড বা খেপাটে নন। তিনি বরং রক্তারক্তি বা সেনসেশনের তুলায় মগজের খেলাতে বেশি আগ্রহী।
মিস্টার রয় দুটোতেই স্বচ্ছন্দ। তিনি শুধু পাঠক নন, লেখকও। তাই তার বিশ্লেষণ রীতিমতো চুলচেরা। কাউকে একবিন্দু ছাড় দিতে তিনি রাজি নন। সমালোচক হিসেবে যার যেটুকু পাওনা, তা তিনি সানন্দে দিয়ে থাকেন।
যাকগে, যে-কথা বলছিলাম। অলোকেশ বইয়ের সাথে কফিতে বিস্তর আস্বাদ পান। মোক্কা ব্লেন্ড তার বিশেষ পছন্দ। এ জাতীয় পিওর কফি বিন্স অবশ্য সবখানে পাওয়াও যায় না। সেবার বিলেত থেকে ফেরার পথে পছন্দের বেশ কিছু কফি বিন্স তিনি নিয়ে এসেছেন। পুনর্বার বিদেশমুখী হওয়া অব্দি এতেই চলে যাবে বলে তার বিশ্বাস।
কফিতে চুমুক দিতে দিতে মৃদুমন্দ হাসছেন অলোকেশ। হঠাৎ একজন এলো। নিয়মিত ভিজিটর নয়, প্যাসেঞ্জার। তাকে বরং আগন্তুক বলা ভাল। অলোকেশের সাথে (তার দুনির্বার অনিচ্ছা সত্ত্বেও) করমর্দন করতে করতে নিজেকে তিনি জনৈক ফারহান আহমেদ বলে পরিচয় দিলেন।
বলুন, আপনার জন্য কী করতে পারি? ভ্রু কুঁচকে তাকান অলোকেশ। তার চোখের কোণে বিরক্তি স্পষ্ট।
তেমন কিছু না। আপনার সাথে যেচেই আমি আলাপ করতে এলাম। হে হে গোছের এক স্লাইস হাসিসমেত কথাটুকু উগড়ে দেন ফারহান।
অলোকেশ নিমিষে তাকে নিরীক্ষণ করে নিলেন। পঞ্চাশের ওধারে বয়স, কাঁচাপাকা চুল, গোঁফ আছে তবে শ্যাবি নয়। পোশাক-পরিচ্ছদে ও চেহারায় সম্ভ্রান্তির ছাপ মেলে। মানে অলোকেশ তাকে ঠিক ছ’কড়া-নকড়া’র দলে ফেলতে পারলেন না। বরং বেশ কেষ্টবিষ্টুই মনে হল।
বসুন প্লিজ। তারপর বলুন, হাউ ক্যান আই হেল্প ইউ! পূর্বের কথার পুনরোক্তি করেন অলোকেশ। দিস ইজ প্রফেশনালিজম। এয়ারপোর্ট কাস্টমস লাউঞ্জে বসে খেজুরে আলাপে মোটেও আগ্রহী নন অলোকেশ। সোজা বাংলায়, ফালতু প্যাঁচাল তার রীতিবিরুদ্ধ।
ব্যস্ত হবেন না প্লিজ। আমি জানি, ইউ আর টু বিজি। আপনার অনেক জানাশোনা।

জানাশোনা মানে! কী ব্যাপার বলুন তো! লোকটার অকারণ স্তুতি অলোকেশের ঠিক সহ্য হল না। তিনি চোখের কোণে কিঞ্চিত সংশয়ের কাজল মেখে নিয়ে তেরছাভাবে তাকালেন। আসলে লোকটার মতলব কী! আনএথিক্যাল কিছু নয় তো!
ফারহান চওড়া হাসেন এবার। তারপর লঘু সুরে বললেন, না মানে আমি শুনেছি আপনি বেশ বইটই পড়েন। টুকটাক লিখেনও।
টুকটাক লিখেনও! কথাটা খট করে কানে বাজলো অলোকেশের। এটা স্তুতি, নাকি ব্যাজস্তুতি হল, ঠিক বুঝতে পারলেন না। তাছাড়া ভদ্রলোকে কেন গায়েপড়ে তার প্রশংসা করতে এসেছে, তাও চিন্তার বিষয় বৈকি।
অলোকেশের চোখে দোলাচল দেখে ফারহান সচকিত হন এবং নিজেকে শুধরে নিয়ে তৎক্ষণাৎ বলেন, আপনার লেখা আমি পড়েছি। সুধীসমাজে যথেষ্ট শংসিত হয়।
লোকটা এমন করে ‘শংসিত’ বলল, অলোকেশের যেন মনে হল নয়, ওটা দংশিত শুনলেন। তবে সত্যি বলতে, লোকটাকে নেহাত তার মন্দ লাগে নি। গুণের প্রশংসা করলে কারই বা খারাপ লাগে। মানুষ তো যশের কাঙাল।
আমার বই পড়েছেন আপনি? অলোকেশ সুরে খানিক প্রশ্রয় মেশান।

অফ কোর্স। বেশ জোরের সাথে ফারহান বললেন, এবং কয়েকটি বইয়ের সারাংশসহ নামও উল্লেখ করলেন। ফলে অলোকেশের আর সন্দেহ থাকে না যে লোকটি সত্যিই তার গুণমুগ্ধ পাঠক। এবং তিনি কোন রকম মতলব ছাড়াই তার সাথে সৌজন্যসাক্ষাত করতে এসেছেন।
অলোকেশ যারপরনাই বিগলিত এবং ফারহানের অনুমোদনের অপেক্ষা না করেই বললেন, কফি বলি?
ওকে, থ্যাঙ্কস। তবে দরকার ছিল না কোন। আমি জাস্ট আপনার সাথে দেখা করতে এসেছি। আপনি দয়া করে একটু সময় দিয়েছেন, তাতেই আমি ধন্য। দরাজ হাসি উপহার দেন বিশিষ্ট সাহিত্যমোদি (নরেন্দ্র মোদি নয়) জনাব ফারহান আহমেদ।
অলোকেশ কফির ফরমায়েশ দিলেন। তার ঠোঁটে মৃদু হাসির আভাস। ‘অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ’ বলে একটা কথা তার মনের মুকুরে উঁকি দিয়েই মিলিয়ে গেল। লোকটা যথার্থ সজ্জন বটে।
কফি এলো। লোকটা খুব সহবতের সাথে সুড়–ৎ সুড়–ৎ (যা কিনা অতিশয় অনভিপ্রেত, এবং কফিম্যানারসের পরিপন্থী) শব্দ না করে কফির মগে ঠোঁট ছোঁয়ালেন। কফি থেকে নির্গত ধোঁয়া নিয়ে মোটেও উষ্মা বা উদ্বেগ দেখালেন না। বরং অলোকেশ যে তাকে বিশেষ সৌজন্যবোধে কফি অফার করেছেন, এটা তার প্রতি অলোকেশের ঔদার্য মর্মে গ্রহণ করলেন।
অলোকেশ চাইলে তার সাথে গল্পে মেতে উঠতে পারতেন। দুচার মিনিটের খেজুরে আলাপ অন্তত হতে পারতো। কিন্তু শেলডনের উপন্যাসের একটা মারমার কাটকাট স্থানে তিনি অবস্থান করছেন। ভদ্রলোকের সাথে মামুলি আলাপচারিতা করলেও মনটা তার উপন্যাসে পড়ে আছে। তিনি চাইছেন, কফি শেষ করে ফারহান উঠে পড়–ন। তাকে পড়তে দিন।

তাছাড়া এটা তার অফিস, ড্রয়িংরুম নয়। অনাহুত কারো জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় বরাদ্দ করা তার পক্ষে যুতসই বা সমীচীন নয়।
কফি প্রায় শেষ। অলোকেশ ভাবছেন ফারহান এবার উঠবেন। প্রশংসা ও প্রতিদানের পালা শেষ। এরপরও আলাপ প্রলম্বিত করার বস্তুত কোন কারণ নেই। পাতামুড়ে রাখা (ডগ্স আই, এটা ওঁর একটা বিশেষ বদভ্যেস) বইটা হাতে তুলে নেন। এটা এক রকম লাল-সংকেত। মানে এবার তুমি কেটে পড়ো হে ফারহান। তোমার জন্য বরাদ্দ সময়ঘণ্টি বেজে গেছে।
কিন্তু ভদ্রলোক তখন নতুন করে আলাপের উদ্যোগ নিলেন। অপাঙ্গে অলোকেশের হাতের বইখানা দেখে নিয়ে শেলডনের বিষয়ে তার জ্ঞানজাহির করতে লাগলো। বিরক্তিকর হলেও অলোকেশ বাগড়া দেন নি। বরং ফারহানের জানাশোনার পরিধি, গভীরতা ও বিষয়বৈচিত্র্যে তিনি কিছুটা হলেও আবিষ্ট।
কথা প্রসঙ্গে ফারহান জানান, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একজন ডাকসাইটে আমলা তার নিকটাত্মীয়। সহজ করে বললে বলতে হয় বড়কুটুম। এমনভাবে ফারহান বললেন, যেন আমলা পর্যায়ের বড়কুটুম থাকা মামুলি কথা নয়, রীতিমতো ঈর্ষাজাগানিয়া ব্যাপার।
আলোকেশও তার সাথে ঐকমত্যে থাকেন, কারণ আপাতত তিনি ফারহানের উপস্থিতি সংক্ষিপ্ত করতে বদ্ধপরিকর। তিনি ইতোমধ্যে অনেকটা সময় নিয়ে নিয়েছেন। সত্যি বলতে, সিডনি শেলডনের লোমহর্ষক আখ্যান অলোকেশের মাথা থেকে প্রায় উধাও।
তবে ভদ্রলোক বড়কুটুমের কথা বলায় অলোকেশ কেমন যেন সচকিত হলেন। এটা অনেকটা তার স্বভাবসিদ্ধ ব্যাপার। কেউ ক্ষমতার খুঁটি উন্মুক্ত করা মানে, কিছু একটা অভিসন্ধি তার আছে। তবে দৃশ্যত এখানে কোন লোভ বা লাভের সম্ভাবনা নেই। ফারহান এখনও অব্দি তেমন কোন বিষয়ের অবতারণা করেন নি।
একটু পরে ব্যাগেজ কাউন্টার থেকে ইন্সপেক্টর সালাম এসে খবর দেয় যে ফারহান সাহেবের ব্যাগেজ চেক সুসম্পন্ন হয়েছে।
এনিথিং টু পে? আই মিন ট্যাক্সঅ্যাবল আইটেমস ইন মাই ব্যাগেজ? চোস্ত ইংলিশে জানতে চান ফারহান আহমেদ।
ইন্সপেক্টর সালাম সদ্যনিয়োগপ্রাপ্ত উচ্চশিক্ষিত অফিসার। চোস্ত ইংরেজিতে তার ঘাবড়ে যাবার কোন কারণ নেই। সালাম মাথা নেড়ে বলল, নো স্যার। ইট্স ওকে। ইউ মে গো নাউ।
ফারহান মনে হল স্বস্তির নিঃশ্বাস ছাড়লেন। বিলিতি কায়দায় মৃদু শ্রাগ করে বললেন, থ্যাঙ্ক ইউ অফিসার, থ্যাঙ্কস অ্যা লট। তিনি আরো যোগ করলেন, কাস্টমস ইজ ইমপ্রুভিং ট্রিমেন্ডাসলি নাউ-এ-ডেজ! উই আর হ্যাপি স্যর। পরের কথাটুকু স্পষ্টতই তিনি অলোকেশকে লক্ষ্য করে বললেন।
অলোকেশ স্বভাবতই খুশি, এবং আমুদে গোছের হাসলেন। তিনি বোধ হয় উঠবেন এবার। তার মালামাল চেক করা শেষ। অলোকেশ ইতোমধ্যে জেনেছেন, ভদ্রলোক টার্কি থেকে দুবাই হয়ে এসেছেন। যথেষ্ট লম্বা ভ্রমণ। জেটল্যাগ ধেয়ে আসছে নিশ্চয়ই। তাকে এবার উঠতেই হবে।
কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। ফারহান আপাতত উঠছেন না। সালাম দিয়ে ইন্সপেক্টর সালাম অলোকেশের রুম থেকে বেরিয়ে গেল। তখনই তিনি খেয়াল করেন, ভদ্রলোকের সাথে একটা সাইডব্যাগ আছে। ফাইন রেক্সিনে তৈরি, কোন রকম এলেবেলে জিনিস নয় বলেই অলোকেশের অনুমান। কারণ ফারহান সাহেব দরের লোক, তার সাথে সস্তার গিফেনস্টাফ্স থাকার কোন কারণ নেই।

আরো কিছুক্ষণ পরে উসখুস করেন অলোকেশ। তাকে এবার একটু যেতে হবে। বিশেষ একটা ভিআইপি মুভমেন্ট আছে। অলোকেশ নিজে উপস্থিত থাকতে চান। সারাপথ দিব্যি ঘুরেফিরে এলেও কিছু ভিআইপি প্যাসেঞ্জার ঢাকা পৌঁছামাত্র মড়াঘোড়ার মতো কেতরে পড়ে যান। এয়ারপোর্ট ডিউটিতে এটা এক রকম হ্যাসেল হলেও অ্যাভয়েড করা যায় না। বলা যায় প্রফেশনাল হ্যাজার্ডস। মেনে নিতেই হয়। এও প্রফেশনালিজম।

চলবে…

Advertisement বিনোদনসহ যেকোনো বিষয় নিয়ে লিখতে পারেন আপনিও- rupalialo24x7@gmail.com
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অ্যাডমিরাল রিয়ার অ্যাডমিরাল মুশাররফ হুসাইন খান
অন্যান্য2 days ago

নৌবাহিনীর স্থপতি রিয়ার অ্যাডমিরাল মুশাররফ হুসাইন খান আর নেই

‘বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী পরিচিতি ও ব্যবস্থাপনা কৌশল’
সাহিত্য4 days ago

‘বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী পরিচিতি ও ব্যবস্থাপনা কৌশল’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

মেলারটেক স্বপ্ন কারিগর পাঠাগার
রূপালী আলো6 days ago

মেলারটেক স্বপ্ন কারিগর পাঠাগার

প্রি-অর্ডারে ‌‘আউটসোর্সিং ও ভালবাসার গল্প’
গ্রন্থালোচনা6 days ago

প্রি-অর্ডারে ‌‘আউটসোর্সিং ও ভালবাসার গল্প’

জগলুল হায়দারের জন্মদিনে প্রিয় ৫০ ছড়ার পাঠ উন্মোচন
জন্মদিন1 week ago

জগলুল হায়দারের জন্মদিনে প্রিয় ৫০ ছড়ার পাঠ উন্মোচন

মাসুদ আখতার পলাশ
অন্যান্য1 week ago

গাইবান্ধা-২ আসনে এগিয়ে ব্যারিস্টার মাসুদ আখতার পলাশ

রায়হান আহমেদ
মতামত1 week ago

সভ্যতার যুগে শিশুশ্রম : কীর্তি আর স্বপ্ন | রায়হান আহমেদ

স্বরূপ মণ্ডল
কবিতা1 week ago

স্বরূপ মণ্ডল -এর গুচ্ছ কবিতা

রকমারি2 weeks ago

ইয়ং ইকোনমিস্টস ফোরাম(ইয়েফ)

গ্লিটজ3 weeks ago

অবশেষে ফারিয়া-সাজ্জাদের ফুটেজ উদ্ধার!

কাজী আসমা আজমেরী
ভ্রমণ4 weeks ago

বাংলাদেশি বিশ্ব পর্যটক কাজী আসমা এখন আজারবাইজানে

গ্লিটজ4 weeks ago

শাকিব খানের চোখের পাগল আমি : সাবর্ণী

‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিবেদিত ১০০ কবির কবিতা’
গ্রন্থালোচনা4 weeks ago

‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিবেদিত ১০০ কবির কবিতা’

পুত্র জয়ের সঙ্গে হাস্যজ্জ্বল অপু বিশ্বাস
ঢালিউড4 weeks ago

‘জায়গা তো খালিই ছিল, শাকিবকে নিয়ে আসলেও ভালো হত’

রূপালী আলো4 weeks ago

বাংলা গানে লিপ কিস ( দেখুন ভিডিও সহ)

সঙ্গীত4 weeks ago

প্রকাশিত হলো ‘আপন মানুষ ২’

রূপালী আলো4 weeks ago

সিজার নতুন মিউজিক ভিডিও – ফিরে এসো না

হিরো আলম
ঘটনা রটনা4 weeks ago

বলিউডের ছবিতে অভিনয়ের জন্য মুম্বাই যাচ্ছেন হিরো আলম

রূপালী আলো4 weeks ago

আকাশের নতুন মিউজিক ভিডিও – ফিরে এসো না (ভিডিও সহ )

মাসুদ আখতার পলাশ
অন্যান্য1 week ago

গাইবান্ধা-২ আসনে এগিয়ে ব্যারিস্টার মাসুদ আখতার পলাশ

সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : তাহমিনা সানি
নির্বাহী সম্পাদক : এ বাকের
প্রকাশক : রামশংকর দেবনাথ
বিভাস প্রকাশনা কর্তৃক ৬৮-৬৯ প্যারীদাস রোড, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০ থেকে প্রকাশিত।
ফোন : +88 01687 064507
ই-মেইল : rupalialo24x7@gmail.com
© ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | রূপালীআলো.কম