Connect with us

উপন্যাস

তরু-নৃ | আসিফ মেহ্দী | সায়েন্স ফিকশন উপন্যাস-০২

Published

on

তরু-নৃ
  • পূর্ব প্রকাশের পর

সকাল পাঁচটার আগেই বাস পৌঁছল চট্টগ্রামের দামপাড়া বাসস্ট্যান্ডে। গানে শুনেছি, ‘পোলা তো নয়, যেন আগুনের গোলা’! এই বাস যেভাবে যুদ্ধবিমানের মতো দ্রুত ধেয়ে এসেছে, তাতে বাসটির জন্যও একটি গান রচনা করা যায়, ‘বাস তো নয়, যেন আগুনের গোলা’! বারোটায় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বাস পৌনে পাঁচটাতেই চট্টগ্রাম পৌঁছে গেছে! মাঝে আবার বিশ মিনিটের যাত্রবিরতিও ছিল!

এত সকালে বাস কাউন্টার থেকে বের হওয়া নিরাপদ না। কাউন্টারে রায়হান চৌধুরীর এক পাশে বসেছে মিলি; অন্য পাশে তুহিন। চৌদ্দগ্রামে বাসে ওঠার পরও তুহিন ও মিলির মধ্যে আর কোনো কথা হয়নি! কারণ একটিই, তুহিন মোবাইলের আলোতে আরও মনোযোগের সঙ্গে নোটপত্র দেখতে শুরু করেছিল। এমন ভাব দেখে মিলির গা-জ্বালা হওয়াই স্বাভাবিক। এই টাইপের ‘আঁতেল’ আলাপে-আড্ডায় বাতিলের খাতাতেই থাকে। বাস কাউন্টারে রায়হান চৌধুরীই নীরবতা ভাঙলেন। তুহিনকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তা বাবা তুহিন, তুমি শহরের কোথায় যাবে?’
‘না স্যার, আমি আসলে চট্টগ্রামে থাকব না। একটু পর সদরঘাটে যাব। সন্দ্বীপে যেতে হবে।’
‘মাই গুডনেস! সন্দ্বীপে? আরে, আমরাও তো সন্দ্বীপে যাচ্ছি! সন্দ্বীপে কি অফিসিয়াল কোনো কাজে?’
‘গবেষণার কাজে যাচ্ছি, স্যার। আমার গবেষণা মূলত গাছপালা নিয়েই।’
‘বাবা, আর স্যার-স্যার বোলো না তো; অস্বস্তি লাগে! আমাকে আঙ্কেল বলতে পারো।’
প্রথমবার অস্বস্তি লাগলেও তুহিন বলল, ‘জি আঙ্কেল, ঠিক আছে।’
রায়হান চৌধুরী বললেন, ‘আমি যাচ্ছি একটু ভিন্ন আবহাওয়ায় কিছুদিন থাকতে। এতে হয়ত লেখালেখির নতুন উপকরণ পাব, নতুন কাহিনির প্লট আসবে মাথায়! এবারই প্রথম যাচ্ছি কোনো দ্বীপে। সেন্টমার্টিনেও কখনো যাওয়া হয়নি। তুমি কি আগে কোনো দ্বীপে গেছ?’
‘না, আঙ্কেল। আমিও প্রথমবারের মতো দ্বীপে যাচ্ছি!’

মাঝে রায়হান চৌধুরী বসে থাকলেও মিলি তুহিনের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘তা নোটম্যান, বাসে তো মোবাইলের আলোতে অনেক জ্ঞানের আলো অর্জন করলেন! এত কষ্ট করে পড়া দেখে মায়াই লাগছিল! কী পড়ছিলেন, জানা যাবে?’
‘ওঃ, তেমন কিছু না। যে উদ্দেশ্যে যাচ্ছি, তা বেশ চ্যালেঞ্জিং বলতে পারেন। সাকসেসফুল হওয়ার চান্স ফিফটি-ফিফটি। তাই একটু স্টাডি করছিলাম।’
মিলি হেসে বলল, ‘আমার নিজেকে কেমন যেন কোনো অ্যাডভেঞ্চার কাহিনির চরিত্র মনে হচ্ছে! একে তো জীবনে প্রথম দ্বীপ দেখার এক্সাইটমেন্ট; তার উপর আপনার গোলকধাঁধা মার্কা মিশন! আপনার কেমন লাগছে?’

রায়হান চৌধুরী দুজনের মাঝে বসলেও ছেলে-মেয়েদের কথায় তার কান নেই। তিনি এখন অন্য জগতে! বই পড়ছেন। অবসর পেলেই তিনি বই পড়েন। তুহিন পাশ থেকে একটা প্লাস্টিকের টুল এনে মিলির সামনে বসল। মিলির প্রশ্নের উত্তরে বলল, ‘সত্যি বলতে, দ্বীপে প্রথম যাচ্ছিÑএটা আমার ভেতর তেমন একটা উত্তেজনা তৈরি করেনি। কারণ, তার চেয়ে অনেক বড়ো উত্তেজনাপূর্ণ কাজ করতে আমি সেখানে যাচ্ছি!’
তুহিনের উত্তর মনে হয় মিলির পছন্দ হলো না। মিলি বলল, ‘আমি কিন্তু ডাবল এক্সাইটেড!’
‘ডাবল এক্সাইটেড! একটা এক্সাইটমেন্টের কারণ তো বুঝলাম, প্রথম দ্বীপ দেখা। আরেকটা এক্সাইটমেন্টের কারণ কি আমার সঙ্গে দেখা হওয়া?’
মিলি এবার হেসেই ফেলল। মিলি বুঝতে পারছে, সে তুহিনকে প্রথমে ঠিকমতো চিনতে পারেনি! ছেলেটা বইপোকা; তবে রসকষহীন নয়। মিলি হাসি থামাল ঠিকই কিন্তু মুখে হাসির রেশ লেগেই আছে। বলল, ‘আপনার সাথে দেখা হওয়ার মধ্যে এক্সাইটমেন্টের কী আছে? তার উপর আবার একটু পর পর ডান চোখ নাচাচ্ছেন!’
‘ও, সরি! ডান চোখের ভ্র- গত দু-দিন ধরে কাঁপছে! আচ্ছা দাঁড়ান।’-এই বলে তুহিন নিজের বাম পায়ের স্যান্ডেল খুলল। তারপর বাম পায়ের নীচ থেকে ডান হাত দিয়ে ধুলা নিয়ে ডান চোখে মাখিয়ে দিলো! একই কাজ সে করল তিনবার। মিলি ভীষণ অবাক! ছেলেটা কী আসলে বেকুব নাকি রসিকতা করছে নাকি দুষ্টামি করছেÑকিছুই বুঝতে পারছে না মিলি। অন্যদিকে, রায়হান চৌধুরী যথারীতি বইয়ের মধ্যে ডুবে আছেন। এসব দিকে তার খেয়াল নেই।
মিলি বিরক্তির স্বরে বলল, ‘এসব কী করছেন! আপনার মাথা ঠিক আছে তো?’
‘জি, আপনাদের দোয়ায় আমার মাথা ঠিক আছে! শোনেননি, ডান চোখের ভ্র- কাঁপলে বাম পায়ের ধুলা নিয়ে চোখে দিলে কাঁপুনি সেরে যায়?’
‘এসব ফালতু কথা আপনি বিশ্বাস করেন? এসব বিশ্বাস করলে তো জীবনের বত্রিশ আনাই বৃথা!’
‘দেখুন, এখন আর চোখের পাতা নাচছে না!’
মিলি তাকিয়ে দেখল, সত্যিই তুহিনের চোখের পাতা আর কাঁপছে না! পরক্ষণেই তার খেয়াল হলো, তুহিনের চোখজোড়া তার চোখের দিকে ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে আছে! কী করা উচিত এই ছোকরাকে? চোখ নাচানাচি, চোখাচোখি এসব তুহিনের বানানো ঘটনা না তো! মিলি বিরক্তমুখে বসে রইল। তুহিন বলল, ‘আপনার এক্সাইটমেন্টের আরেকটা কারণ শোনা হলো না!’
মিলি কঠিন কণ্ঠে বলল, ‘এক্সাইটমেন্টের আরেকটা কারণ অবশ্যই আপনি না; কারণটা হলো সাগর!’
তুহিনের মন খারাপ হয়ে গেল। আস্তে করে বলল, ‘সাগর নামের ছেলেরা কিন্তু ভালো হয় না। আমার এক বন্ধু ছিল সাগর নামে; ভয়ংকর দুষ্টু! একবার সে কী করল জানেন? আমরা ভার্সিটি থেকে বনভোজনে গেছি গাজীপুরের ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানে। সাগর বনের ভেতরে কোথায় যেন গিয়ে ড্রেস চেঞ্জ করে মেয়েদের ড্রেস পরল, মেকআপ করল! মেয়ে সেজে আমাদের স্পটের আশপাশেই গাছের আড়ালে-আবডালে একা ঘোরাঘুরি করতে লাগল! উদ্দেশ্য, দুষ্টু ছেলেদের সঙ্গে দুষ্টুমি করা! ওকে দূর থেকে দেখে আমার কয়েক ছেলেবন্ধু তো ওর পেছনেই ঘুরঘুর করতে লাগল! তারপর ঘটল মজার এক ঘটনা। সাইফুল সোজাসুজি…’
তুহিনকে থামিয়ে দিয়ে মিলি বলল, ‘থাক হয়েছে, এসব আজেবাজে গল্প বলতে হবে না! সাগর মানে যে সমুদ্রÑএটাও জানেন না বুঝি?’
‘ও, আপনি সমুদ্র দেখার জন্য এক্সাইটেড?’
‘জি জনাব। জীবনে এই প্রথমবারের মতো সমুদ্র দেখব!’
তুহিন একাই হাসতে হাসতে বলল, ‘কী আশ্চর্য, দেখুন তো! সাগর মানে আপনি যে সমুদ্রকে বোঝাচ্ছেন, সেটা মাথাতেই এলো না; অথচ সমুদ্র শব্দটার ডজন-ডজন প্রতিশব্দ আমার জানা!’
‘আচ্ছা, আপনি এত বানিয়ে কথা বলেন কেন?!’
‘বানিয়ে কথা বলব কেন? আমি তো “সদা সত্য কথা বলিব”-তে বিশ্বাসী। বানানো কথা মনে হলো কোনটা?’
‘এই যে বললেন, সমুদ্র শব্দটার ডজন-ডজন প্রতিশব্দ আপনি জানেন! বড়োজোর চার-পাঁচটা জানতে পারেন। সমুদ্রের আবার ডজন-ডজন প্রতিশব্দ আছে নাকি?’
‘হুম, আছে তো! এই যেমন-পাথার, সিন্ধু, অর্ণব, জলধি, জলনিধি, বারিধি, বারিনিধি, বারীশ, বারীন্দ্র, বরুণ, পারাবার, রত্নাকর, দরিয়া, তোয়ধি, পয়োনিধি, অম্বুধি…’
‘হয়েছে, হয়েছে’, মিলি হতবাক! রায়হান চৌধুরী বইয়ের মধ্যে ডুবে ছিলেন। মাথা উঁচু করে তুহিনের দিকে তাকিয়ে প্রতিশব্দগুলো শুনলেন। মিলি থামিয়ে দেওয়ার পর তিনি আবার সাহিত্যসমুদ্রে ডুব দিলেন।
মিলি বলল, ‘সিনেমাতে যখন সমুদ্র দেখি, তখনই মন কেমন হয়ে যায়! সামনাসামনি নিশ্চয়ই আরও মায়াময়!’
মিলির ভাবমার্কা কথা শুনে তুহিন হেসে ফেলল। বলল, ‘সমুদ্র দেখার সুযোগ আমার হয়েছে কিন্তু এত দয়ামায়া ফিল করিনি! ঢেউগুলোকে আমার মনে হয়েছে পানির রোলÑভেজিটেবল রোল বা চিকেন রোল-এর মতো পানির রোল! গড়িয়ে গড়িয়ে পারের দিকে আসতেই থাকে, আসতেই থাকেÑএকই ক্যানক্যানানির মতো একই ঢেউঢেউয়ানি!’
‘পানির রোল! এসব কী যে বলেন না!’
মিলি একটু বিরক্ত হয়েছে দেখে তুহিন বলল, ‘তবে সমুদ্রের গর্জনটা জোশ! বাঘ-সিংহের গর্জনের চেয়েও উচ্চমার্গীয়।’
মিলির মুখ আরও গম্ভীর হয়ে গেল। তুহিন বলল, ‘সত্যি বলতে, সমুদ্র আমাকেও টানে!’
মিলির গম্ভীরতা এবারে একটু কমলো। তুহিন বলে চলল, ‘তবে একবার ভেবে দেখুন, সমুদ্রের যে অংশ আমরা দেখতে পাই, তা সমুদ্রতলের রহস্যময় জগতের আবরণ মাত্র! লক্ষ-কোটি গুণ রহস্যময় জগৎকে ঢেকে রেখেছে পানির একটি লেয়ার! তার উপর পানির পৃষ্ঠটান, বায়ুচাপ ও বায়ুপ্রবাহের জন্য তৈরি হচ্ছে ঢেউ। আমরা শুধু উপরের আবরণ দেখেই অভিভূত হই; অথচ সমুদ্রগর্ভের জগৎ সীমাহীন মায়াময়!’
মিলি গম্ভীরতা ভেঙে বলল, ‘অপার রহস্য আবৃত করে রাখে বলেই সমুদ্র এত টানে! এই পানি আর ঢেউ-ই যদি সাগরের শেষ হতো, তাহলে তা মানুষকে এত আকর্ষণ করত কি না সন্দেহ!’

‘আমাকে অবশ্য সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ করে সমুদ্রতলের উদ্ভিদজগৎ! যদি জীবনে কখনো সমুদ্রতলে ঢু দেওয়ার সুযোগ পেয়ে যাই, তাহলে সাগরতলের গাছপালার মধ্যে কিছুক্ষণের জন্য হলেও হারিয়ে যেতে চাই। ওদের জীবনটা কত বিচিত্র, কত অদ্ভুত! আসলে গাছ মাত্রই বিচিত্র জীবনের অধিকারী! এক জায়গাতেই দাঁড়িয়ে থাকে সারাটা জীবন! পৃথিবীতে তাদের এত অবদান; অথচ পৃথিবী সম্পর্কে তাদের ধারণা অনেকটা কুয়োর ব্যাঙের মতো! মরুভূমির গাছ ভাবে পৃথিবীটা ধু-ধু প্রান্তর, সমুদ্রতলের গাছের কাছে পৃথিবীটা অ্যাকুরিয়াম টাইপের কিছু, আমাজনের গাছ ভাবে পৃথিবীটা তাদের প্রজাতিতে ঠাসা আর রাস্তার পাশের গাছগুলো তার চারপাশের প্রকৃতি এবং উপরের এক টুকরো আকাশকেই পৃথিবী ভাবে! কী অদ্ভুত জীবন! অবশ্য মানুষের জীবনও অনেকটা এমন। নিজ নিজ জ্ঞান আর অভিজ্ঞতা মিলিয়ে জীবন নিয়ে কিছুটা ভাবতে শেখে এক-একজন মানুষ। যার জ্ঞানের গভীরতা যত বেশি, অভিজ্ঞতার পাল্লা যত ভারী; সে জীবনকে তত বেশি বুঝতে পারে!’
মিলি মন দিয়ে তুহিনের কথা শুনছিল। দুজনের কেউ-ই খেয়াল করেনি যে রায়হান চৌধুরীও মনোযোগ দিয়ে তুহিনের কথা শুনছেন। তিনি বলে উঠলেন, ‘বাঃ, সুন্দর! সুন্দর বলেছ!’

চলবে…

Advertisement বিনোদনসহ যেকোনো বিষয় নিয়ে লিখতে পারেন আপনিও- rupalialo24x7@gmail.com
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অ্যাডমিরাল রিয়ার অ্যাডমিরাল মুশাররফ হুসাইন খান
অন্যান্য2 days ago

নৌবাহিনীর স্থপতি রিয়ার অ্যাডমিরাল মুশাররফ হুসাইন খান আর নেই

‘বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী পরিচিতি ও ব্যবস্থাপনা কৌশল’
সাহিত্য4 days ago

‘বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী পরিচিতি ও ব্যবস্থাপনা কৌশল’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

মেলারটেক স্বপ্ন কারিগর পাঠাগার
রূপালী আলো6 days ago

মেলারটেক স্বপ্ন কারিগর পাঠাগার

প্রি-অর্ডারে ‌‘আউটসোর্সিং ও ভালবাসার গল্প’
গ্রন্থালোচনা6 days ago

প্রি-অর্ডারে ‌‘আউটসোর্সিং ও ভালবাসার গল্প’

জগলুল হায়দারের জন্মদিনে প্রিয় ৫০ ছড়ার পাঠ উন্মোচন
জন্মদিন1 week ago

জগলুল হায়দারের জন্মদিনে প্রিয় ৫০ ছড়ার পাঠ উন্মোচন

মাসুদ আখতার পলাশ
অন্যান্য1 week ago

গাইবান্ধা-২ আসনে এগিয়ে ব্যারিস্টার মাসুদ আখতার পলাশ

রায়হান আহমেদ
মতামত1 week ago

সভ্যতার যুগে শিশুশ্রম : কীর্তি আর স্বপ্ন | রায়হান আহমেদ

স্বরূপ মণ্ডল
কবিতা1 week ago

স্বরূপ মণ্ডল -এর গুচ্ছ কবিতা

রকমারি2 weeks ago

ইয়ং ইকোনমিস্টস ফোরাম(ইয়েফ)

গ্লিটজ3 weeks ago

অবশেষে ফারিয়া-সাজ্জাদের ফুটেজ উদ্ধার!

কাজী আসমা আজমেরী
ভ্রমণ4 weeks ago

বাংলাদেশি বিশ্ব পর্যটক কাজী আসমা এখন আজারবাইজানে

গ্লিটজ4 weeks ago

শাকিব খানের চোখের পাগল আমি : সাবর্ণী

‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিবেদিত ১০০ কবির কবিতা’
গ্রন্থালোচনা4 weeks ago

‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিবেদিত ১০০ কবির কবিতা’

পুত্র জয়ের সঙ্গে হাস্যজ্জ্বল অপু বিশ্বাস
ঢালিউড4 weeks ago

‘জায়গা তো খালিই ছিল, শাকিবকে নিয়ে আসলেও ভালো হত’

রূপালী আলো4 weeks ago

বাংলা গানে লিপ কিস ( দেখুন ভিডিও সহ)

সঙ্গীত4 weeks ago

প্রকাশিত হলো ‘আপন মানুষ ২’

রূপালী আলো4 weeks ago

সিজার নতুন মিউজিক ভিডিও – ফিরে এসো না

হিরো আলম
ঘটনা রটনা4 weeks ago

বলিউডের ছবিতে অভিনয়ের জন্য মুম্বাই যাচ্ছেন হিরো আলম

রূপালী আলো4 weeks ago

আকাশের নতুন মিউজিক ভিডিও – ফিরে এসো না (ভিডিও সহ )

মাসুদ আখতার পলাশ
অন্যান্য1 week ago

গাইবান্ধা-২ আসনে এগিয়ে ব্যারিস্টার মাসুদ আখতার পলাশ

সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : তাহমিনা সানি
নির্বাহী সম্পাদক : এ বাকের
প্রকাশক : রামশংকর দেবনাথ
বিভাস প্রকাশনা কর্তৃক ৬৮-৬৯ প্যারীদাস রোড, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০ থেকে প্রকাশিত।
ফোন : +88 01687 064507
ই-মেইল : rupalialo24x7@gmail.com
© ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | রূপালীআলো.কম