Connect with us

উপন্যাস

মা আমার শ্রাবণের আকাশ | মুনীর আহমেদ সাহাবুদ্দিন -এর ধারাবাহিক উপন্যাস | পর্ব -০৩

Published

on

মা আমার শ্রাবনের আকাশ

মা আমার শ্রাবণের আকাশ | মুনীর আহমেদ সাহাবুদ্দিন -এর ধারাবাহিক উপন্যাস | পর্ব -০৩

রাজনের বাবা চিল্লায় গেছেন রাজনের মামা রাজুর সাথে। কিন্তু কোন জেলায় গেছেন রাজন জানতো না। আগেরদিন সন্ধ্যাবেলা বাবার সাথে রাজনের কথা হয়েছিলোন কিন্তু জানা হয়নি। রাজুমামা পরদিন সকালে রাজনকে মোবাইলে কল করেছিলেন। ওর বাবা ভালো আছেন জানালেন। উনি জানালেন চিল্লায় থাকাকালীন কথা বলার সময় মাগরীব নামাজের পর থেকে এশার আজানের আগ পর্যন্ত।

তখন সন্ধ্যা। এশার আজান হতে বেশ অনেক সময় বাকি। রাজন ওর বাবাকে মোবাইলে কল করলোউনি ধরলেন না। এরপরে রাজু মামাকে কল করলো। উনি ধরলেন।

মামাবাবা কই?’

তোমার বাবা দেয়ালে ঠেস দিয়ে ঘুমাচ্ছে। তাকে বলবা এই সময়টায় কোরান পড়তে।

ধীরে ধীরে সব অভ্যাস হয়ে যাবে। আপনি চিন্তা করবেন না। আমি আমার বাবাকে চিনি।

রাজন জানতে চাইলো মামাবাবা কি মোবাইলে টম এন্ড জেরিলুনি টিউন্স এখনো দেখে নাকি?’

না, নামাথা খারাপ!’ ‘কিছু বলব তোমার বাবাকে?’ জানতে চাইলেন রাজু মামা।

না মামাকিছু না। কালকে ঢাকা চলে যাব। আপনারা এখন কোথায়?”

গোপালগঞ্জ। চায়নার শ্বশ্বুরবাড়ির কাছাকাছি একটা মসজিদে।

কথা শেষ করে নিচে চলে গেলো রাজন। সুমিকে কিছু বলতে চায় ও। সুমি সোফায় বসাদুই পা তুলে আসন করে বসে আছে। ওকে বেণী করে দিচ্ছেন নিহার ফুপুচোখে পরম মমতা। নিঃশব্দে চুল বাঁধছেন। রাজনের মাও চুল বেঁধে দিতেন। কিন্তু নিঃশব্দে না। মা মেয়ে কিসব গল্প করতো আর হেসে কুটিকুটি হতো|রাজনের মা খুব রসবোধের মহিলা ছিলেন। তিন সন্তানের সাথে বন্ধুর মত মিশতেন। মজা করে বলতেন কিছু দিনের মধ্যে আমি ছয় বাচ্চার মা হবো’। রাজন বুঝত মার কথা। তিনি হবু জামাইপুত্রবধুদের ইঙ্গিত করতেন। সাবির হেসে জিজ্ঞাসা করতো সুমি আপির জামাই কি ঘরজামাই হবে মা?’

রাজন দেখলো সুমির চোখে জল। মার জন্য কাঁদছে। টিভির অনেক সিরিয়াল ও মার সাথে দেখতো। হয়ত ওরকম কোনো সিরিয়াল চলছিলো। ভাইকে দেখে সুমি চোখ মুছলো।রাজন ভাবছেমেয়েদের কান্না বুঝা যায়দেখা যায়দুই গালের উঠোন ভিজিয়ে দেয়। আর ছেলেদের কান্না কেউ দেখে না, কেউ টের পায় না। বৃষ্টি ধুয়ে দেয় ছেলেদের কান্না। ছেলেদের কাঁদতে হয় একা একা।

ফুপুকে বললো ফুপু বাবাকে কল করে পাইনি। রাজু মামার সাথে কথা হয়েছে। বাবাকে কাল আবার ফোন করবো।

সুমিকে বললো সুমি তুই চুল বাঁধা শেষ করে দোতলায় আসিস।

দশ মিনিট পর সুমি উপরে আসলো।

কৃষ্ণাদি আসে নাআজ তো তার আসার কথা’ রাজন জানতে চাইল। কৃষ্ণাদি সুমির গানের শিক্ষক।

না ভাইয়াবাবা মানা করেছেন। আমারও ইচ্ছে নেই গান শিখার

যাহোক, পাত্রকে দেখেছিস?’ রাজন জানতে চাইল।

না

ছবিও না?’

কি আশ্চর্য! আমি তো ছবির কথাই বলছিসামসামনি কোত্থেকে দেখবো?’

তুই কি সত্যিই রাজি?’

সুমি ওড়নায় চোখ মুছলো। স্বল্পভাষীচুপচাপঠান্ডা মেজাজের রাজন বোনকে বেশ সহজেই বুঝতে পারে।

তোমার কি মনে হয় ভাইয়া?’

উত্তর দিলো না রাজন। পাল্টা প্রশ্ন করলো বোনকে। ‘তুই ফুপুর কথায় রাজি হসনি?’

না ভাইয়া, রাজি হইনি। ফুপু সবসময় মন খারাপ করেন। উনি ভাবেন আমি খুব একা।

সুমি বললো ভাইয়ামা-মরা মেয়ে কি বাবা-ভাইদের কাছে বোঝা?’

রাজন অবাক হলো না বোনের এই প্রশ্নে। ও বললো এটার জেনারেল উত্তর আমি দিতে পারব না। আমি তো সবারটা জানি না।

কিছুটা থেমে রাজন বোনকে বললো বাবা যখন বাসায় থাকেফজরের নামাজের পর তোর পাশে তো গুটিশুটি মেরে ঘুমায়। বাবা খুব সরল মানুষঅনেক ভালোমন্দ উনি বোঝেন না। বাবার কাজ হলো ব্যবসা আর তার পৃথিবীর যাবতীয় আনন্দের কেন্দ্র এই বাসা। এসব ছাড়া উনি কিছু জানেন না। মার হাতে মাসের সংসারের টাকা দিয়ে নিশ্চিন্ত থাকতেন। এখন তো তার মেয়ে সুমিকে দেয়। নিহার ফুপু আসার আগ পর্যন্ত তুই হিমসিম খেয়ে যেতি। ঢাকা ভার্সিটিতে অ্যাপ্লাই করেও টেস্ট দিলি না। আমি জানি বাবার জন্য। তুই ঢাকা থাকবি এই ভেবে বাবা বাচ্চাদের মত মন খারাপ করতেনআড়ালে কাঁদতেন। বাবা জানেন না পরিবারের সদস্যদের ভালবাসার বাইরে বোঝা’ নামের কিছু আছে কিনা। সাবির নাকি এখনো বিছানা গুছাতে পারে নাজুতা-মোজা খুঁজে পায় না। খাবার,আরো কি কি নিয়ে খুব খুনশুটি করে। সেটা তো শুধু সুমির সাথে। আর কারো সাথে তো না। আগে তো এগুলো করতো মার সাথে।

রাজন বললো সাবিরের অংকের খাতায় দেখলাম একটা কবিতা লিখেছেনাম প্রার্থনা’। শেষ লাইনটা বোধহয় এরকম মা নিয়েছভেবোনা বেশ করেছো, নিঠুর বিধাতা! আর নয়কখনো সুমি নিও না।

ওর বই খাতা গুছাতে গিয়ে আমিও দেখেছি ভাইয়া।

তোর প্রশ্নের উত্তর পেয়েছিস?’

ফুরফুরে লাগলো সুমিকে।

আর তুমি?’ সুমি বেশ আগ্রহ নিয়ে জানতে চাইল ভাইয়ের কাছে।

আমি… তোর মনে আছেছোটবেলায় তুই মাটির ব্যাংকে টাকা জমাতি। একটু ভরলে পরে আমি মার ক্লিপ দিয়ে তোর ব্যাংক থেকে পয়সা চুরি করতাম।সুমি খিলখিল করে হাসলো। ‘আমি টের পেতাম না। যখন বুঝতাম ব্যাংকটা ওজনে কমে যাচ্ছেতুমি বলতা পয়সাগুলি রুপবানির বাপের আত্মা নিয়ে গেছে।

রিক্সার টুংটং শব্দ হলো গেটের সামনে। সাবির বাসায় এসে গেছে। বাসায় ঢোকার আগেই এক চিৎকার আপি!’ সাবির সবসময় তাই করে। আগে চিৎকার করে মাকে ডাকত। মার একটু গলা শুনলেই ওর হয়ে যেতো। মাকে না দেখেই চলে যেতো ওর রুমে। সাবির ভাবত এই পৃথিবীতে ওর একমাত্র প্রিয় জিনিষ ওর মা’। মা পাশে থাকলে পাহাড়-পর্বত ডিঙানো যায়, বাঘ-ভালুকও জয় করা যায়। তাই বাসায় এসে মার সান্নিধ্য নিশ্চিত হয়ে নিতএখন মা‘ ডাক বদলেছে ঠিকই কিন্তু ওর অনুভুতি বদলায়নি। সৃষ্টিকর্তার কি অপরূপ সৃস্টি! তিনি মাকে নিয়ে গেছেন কিন্তু তার জায়গায় তৈরি করে রেখেছেন বড় বোন। কিন্তু সুখ-দুঃখের এই পৃথিবীতে সবাই এই ভাগ্য নিয়ে জন্মায় না। সবার তো বড় বোন নেই। থাকলেও সব বড় বোনরা তো সুমি আপি’ হয় না!

সাবিরে সাথে রাজনের ওয়াহাব চাচা এসেছেন। ওর বাবার দূরসম্পর্কের চাচাতো ভাই। রাজনের বাবার দুই বছরের ছোট হবেন। উনি রাজনের বাবার রড-সিমেন্টের ব্যবসা দেখেন। বরিশালভোলাখুলনার দোকানগুলি উনিই দেখেন।

সত্তুরের বন্যার সময় নাবালক ওয়াহাব চাচা তার মা-বাবার সাথে ভোলা ছিলেন। ঘুর্নিঝড়ে তাদের ভিটাবসতি সব ওলটপালট করে দেয়। বন্যার পরে ওনার মা-বাবাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। উদ্ধারকারীরা ওয়াহাব চাচাকে একটা ছোট নারকেল গাছের মাথা থেকে উদ্ধার করেন। বন্যার পানি নাকি ওই সীমা পর্যন্ত উঠেছিল। ওয়াহাব চাচা বলতেন এউক্কা মাইড্ডা সাপও আছিলো গাছের মাথায়। আমি ডরাই নাই।’ রাজনের দাদা এতিম এই ছেলেটাকে নিজের ছেলের মত করে বড় করেছেন। পড়াশুনাও করিয়েছেন ডিগ্রি পর্যন্ত।

রাজনের বাবা বাসায় তাকে ওয়াহাব’ ডাকলেওদোকানে সবসময় ম্যানেজার’ বলে ডাকেন। ওয়াহাব চাচা রাজনের বাবা বরিশাল না থাকলে রোজ এই সময় এসে নিহার ফুপুর কাছে ব্যবসার হিসাব দিয়ে যান।

সাবিরআসতে এত দেরী হলো কেন?’ নিহার ফুপু জানতে চাইলেন।

কোচিং শেষে দোকানে ওয়াহাব চাচার কাছে গিয়েছিলাম। চাচা মোগলাই খাওয়ালেন।

সাবির পুনরায় এসএসসি পরীক্ষা দিবে, মা যাবার জন্য গেলোবার পরীক্ষার মাঝপথেই শেষ করতে হয়েছিলো । এখন ওর সবকিছু পড়া আছে। রিভাইস দিচ্ছে। মা জীবিত থাকাকালীন রাজন ছুটিতে সাবিরের পড়াশুনার অগ্রগতি খোঁজ খবর নিতো। ওর মা একদিন বলেছিলেন সাবির নাকি কবিতার ম্যাগাজিন বের করবে শুনলাম। এসব ভালো কাজতবে পরীক্ষার আগে না।’ সাবির তখন বাসায় ছিল না। রাজন ওর বই খাতা নেড়ে দেখছিল। সাবির ওর প্রতিটি খাতায় ইদানিং নাম এভাবে লিখে “আহমেদ সাবির আহসানএসএসসি পরীক্ষার্থী”।

কিছুদিন আগে নিহার ফুপু বেড়াতে এসে সাবিরের এই পরিচয় দেখে অবাক হয়েছিলেন। ফুপু বললেন “কিরে কি ব্যাপার! এরকম  টাইটেল লাগাচ্ছিস কেন নামের শেষে?”

এটা আমার আপাততঃ পরিচয়

কিছুদিন আগে বরিশালে একটা ইলেকশন হয়ে গেলো। একজন প্রার্থী তার পোস্টারে নাম লিখেছিলেন “শাফায়েত হোসেন সাবুএমএ”। সেই থেকে সাবির প্রভাবান্বিত হলো ওর নাম সেই একই ভাবে লিখে।

রাজন সেদিন সাবিরের খাতার একটি পাতায় আবিস্কার করলো গুটি গুটি করে লিখা-

সাবিরের প্রথম কবিতা

কুত কুত কুত

কত বড় ভুত,

উড়ি উড়ি উড়ি

কি তার ভুঁড়ি,

রাখ ঢাক ফাঁক

মাথায় আছে টাক।”

সুমিকে দেখালো রাজন। ও একটা অতিরিক্ত লাইন লিখে দিলো – সাবির আর থাক

মাকে পড়ে শুনালো কবিতাটি। তিনি খুব খুশী (কারণটা বুঝা গেলো না!)। মার কথা মতো সাবির আর থাক’ লেখাটা মুছে দেয়া হলো। কেননা মা চাইছেন সাবিরের এই অভিযান বহাল থাকুক। তবে পড়াশুনার ক্ষতি করে নয়।

এরপর আরো কিছুদিন পর একদিন সাবিরের খাতা চেক করলো রাজন ওর দ্বিতীয় সংযোজন দেখার আশায়। শুধু দ্বিতীয় নয়ওর তৃতীয় কবিতাটাও পেয়ে গেল। খাতায় লিখা:

সাবিরের দ্বিতীয় কবিতা

গিলাকলিজামনটা

বাজলো কলেজের ঘন্টা।

ঘটিবাটীগ্লাস

করবো এখন ক্লাস।

সেমাইমাংসরুটি

হবে কলেজ ছুটি।

সাইকেলরিক্সাগাড়ি

যাবো আমরা বাড়ি।”

সাবিরের তৃতীয় কবিতাটা একটু ভিন্নধৰ্মী। কিছুটা রোমান্টিক। কিছুটা বিদ্রোহী। বাংলা আর হিন্দির অভূতপূর্ব সংমিশ্রন। কবিতাটি এরকম:

সাবিরের তৃতীয় কবিতা

আগডুমবাগডুমঘোড়াডুম

হাম পেয়ার করতা তুম।

চঞ্চল চিয়ে পইঠা কালো

আওর ছালা আগুন জ্বালো।

তুমভি বেটা চোপড়াও ছালা

দুনিয়াকো ভাই এয়ছা জ্বালা।

মরণ তুঁহুঁ মমো এহি

হাম তুমি পেয়ার করতা নেহি

আগডুম বাগডুমআগাবাগা ডুমডুম।”

সাবিরের ছড়া তথা কবিতা যাত্রা পরে আর এগোয়নি। এখানেই যবনিকা। পত্রিকা প্রকাশের আগ্রহও আর দেখায়নি। ছড়া-কবিতা ছেড়ে ও ফুটবল খেলায় আগ্রহী হয়ে উঠলো। ওয়াহাব চাচার সাথে একদিনের জন্য ঢাকাও গিয়েছিল ওর পছন্দের ফুটবল বুটজার্সিট্রাক স্যুটইত্যাদি কিনতে। মা বিরক্ত হলেন। রাজনের বাবাকে বললেন কেনএগুলি কি বরিশালে পাওয়া যায় নাআস্কারা দিয়ে দিয়ে খুব মাথায় উঠাচ্ছ

রাজনের বাবা অনড়। যুক্তি দেখাতেন খরচের কথা ভাবছআমার তো আর আটটা-দশটা বাচ্চা না! তিনটাই তো মাত্র। খরচ তো কম!

অকাট্য যুক্তি।

চলবে…

Advertisement বিনোদনসহ যেকোনো বিষয় নিয়ে লিখতে পারেন আপনিও- rupalialo24x7@gmail.com
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

রোদেলা জান্নাত (Rodela Jannat)। ছবি : ফেসবুক
ঢালিউড3 weeks ago

শাকিব খানের নতুন নায়িকা রোদেলা জান্নাত, কে এই রোদেলা : অনুসন্ধানী প্রতিবেদন

রঙ্গন হৃদ্য (Rangan riddo)। ছবি : সংগৃহীত
অন্যান্য3 weeks ago

ভাইরাল রঙ্গন হৃদ্যকে নিয়ে এবার সমালোচনার ঝড়

পূজা চেরি। ছবি : সংগৃহীত
ঢালিউড4 weeks ago

শাকিব খানেও আপত্তি নেই পূজা চেরির

আয়েশা আহমেদ
অন্যান্য2 weeks ago

আয়েশা আহমেদের আবারও আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান প্রতিযোগিতায় সাফল্য

শাকিব খানকে পেয়ে যা বললেন নতুন নায়িকা রোদেলা জান্নাত
ঢালিউড3 weeks ago

শাকিব খানকে পেয়ে যা বললেন নতুন নায়িকা রোদেলা জান্নাত

শাকিব খান ও রোদেলা জান্নাত। ছবি : সংগৃহীত
ঘটনা রটনা3 weeks ago

বুবলীর পর এবার সংবাদ পাঠিকা রোদেলা জান্নাতকে নায়িকা বানাচ্ছেন শাকিব খান

পায়েল চক্রবর্তী
টলিউড3 weeks ago

টালিউড অভিনেত্রী পায়েল চক্রবর্তীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

ঢালিউড3 weeks ago

এক হচ্ছেন শাকিব খান-নুসরাত ফারিয়া

শিনা চৌহান
অন্যান্য3 weeks ago

শিনা এখন ঢাকায়

অঞ্জু ঘোষ। ছবি : সংগৃহীত
ঢালিউড3 weeks ago

যে কারণে অবশেষে ঢাকায় ফিরলেন চিত্রনায়িকা অঞ্জু ঘোষ

সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : তাহমিনা সানি
নির্বাহী সম্পাদক : এ বাকের
প্রকাশক : রামশংকর দেবনাথ
বিভাস প্রকাশনা কর্তৃক ৬৮-৬৯ প্যারীদাস রোড, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০ থেকে প্রকাশিত।
ফোন : +88 01687 064507
ই-মেইল : rupalialo24x7@gmail.com
© ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | রূপালীআলো.কম